বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
Headline :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাস্তহারা দলের রূপনগর থানা আহবায়ক কমিটির সম্মেলন। মোবাইল_কোর্ট পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনকারীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদন্ড। গাবতলীতে জুয়া ও মাদক,ওয়ারেন্ট তামিল অভিযান পরিচালনা করে সাজা প্রাপ্তসহ১০ আসামীগ্রেফতার দিনাজপুর বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে অবৈধ ড্রেজার আটক, মামলা দায়েরের নির্দেশ। কবিতা কুমারী দেবী, কবি, মুহাম্মদ রাউফুল বরাত বাঁধন ঢালী। রাজাপুর অবৈধ ১৫ টি চায়নাদুয়ারি জাল উদ্ধারপূর্বক পুড়িয়ে দেওয়া হয়। গৌরনদীর টরকী বন্দরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দুই মাস বেতন না দিয়ে রাতের আঁধারে মাল সরানোর অভিযোগ: লালবাগে দা শানিন কর্পোরেশনের শ্রমিকদের বিক্ষোভ। দোয়া কামনা* প্রেস বিজ্ঞপ্তি: 15/04/2026. “ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেন—‘আমাকে রক্ত দাও, আমি স্বাধীনতা দেব’। আমিও বলছি—আপনারা আমাকে ঐক্য দিন, আমি আপনাদের অধিকার আদায় করে দেব।” “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা।

নয়া দিল্লিতে কিডনি ব্যাবসায়ী কারবারী মো: রাসেল ভারতের পুলিশের হাতে গ্রেফতার!!

Reporter Name / ২৬৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০২৪

 

ষ্টাফ রিপোর্টার :

নয়াদিল্লিতে কিডনি বেচাকেনা চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতীয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার রাসেল আহমেদ ঢাকায় বাড়ি-গাড়ির মালিক বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। তবে পরিবারের দাবি, তাঁর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

৩০ বছর বয়সী রাসেলের জন্ম ভেড়ামারার ধরমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে। প্রায় ৮ বছর ধরে পরিবারের সদস্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দিল্লিতে অবস্থান করছেন বলে পরিবারের দাবি।

রাসেলের ছোটবেলার সহপাঠী স্বপন জানান, তারা একত্রে ২০১৪ সালে ধরমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। রাসেল কিছুদিন ঢাকায় পড়াশোনাও করেছেন। প্রায় ৮ বছর আগে তিনি ভারতে  চলে যান। তারা ফেসবুক ও গণমাধ্যমে তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি দেখেছেন। গত ঈদুল ফিতরের আগে তিনি বাড়িতে এসে কিছুদিন ছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাঁর এক আত্মীয় বলেন, ‘শুনেছি দিল্লির ইন্দ্রপ্রস্ত অ্যাপোলো হাসপাতালে রাসেল দোভাষী হিসেবে কাজ করেন। তিনি ঢাকায় বিয়ে করেছেন, পরিবার ওখানেই থাকেন। ঢাকায় তাঁর ফ্ল্যাট বাড়ি ও গাড়ি আছে। মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসেন। আর তাঁর মেজো ভাই সোহেল রানাও তাঁর সঙ্গে মাঝেমধ্যে ভারতে গিয়ে দেখা করেন। রাসেল ধরা পড়ার পর তিনি বাংলাদেশে চলে এসেছেন।’

ওই আত্মীয় জানান, কুষ্টিয়ার অনেক লোক ভারতে গিয়ে তাঁর শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতেন। দেশে এসে তারা রাসেলের ব্যাপক প্রশংসা করতেন।

তবে  রাসেলের কাছে বারবার যাওয়ার কথা অস্বীকার করেন সোহেল রানা।  বলেন, ‘আমি অসুস্থতার জন্য ভারতে যেতাম। বর্তমানে আমি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে কর্মরত।’

রাসেলের মা আলেকা খাতুন বলেন, ‘আমার ছেলে দীর্ঘদিন ভারতে থাকে। শুনেছি সেখানকার এক হাসপাতালে চাকরি করে। কিন্তু আমাদের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।’ ঈদুল ফিতরের আগে তাঁর বাড়িতে আসার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি নিরুত্তর ছিলেন।

ঢাকায় পূবালী ব্যাংকে কর্মরত রাসেলের বড় ভাই মাসুদ রানা বলেন, ‘তার সঙ্গে আমাদের কোনো পারিবারিক সম্পর্ক নেই। আপনাদের মতো আমরাও বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি তার গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা। আমরা চাই অপরাধ করলে তার শাস্তি হোক।’

সম্প্রতি ভারতে কিডনি পাচার চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লির ক্রাইম ব্রাঞ্চ। গ্রেপ্তারকালে রাসেলের কক্ষ থেকে কিডনিদাতা ও গ্রহীতাদের  দুটি ডায়েরি ও ৯টি পাসপোর্ট জব্দ করেছে পুলিশ।

ভেড়ামারা থানার ওসি জহুরুল ইসলাম বলেন, কয়েক বছর ধরেই  রাসেল ভারতে থাকেন। এলাকায় এলে স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করেন।

বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক রোগী ভারতে গিয়ে কিডনি প্রতিস্থাপন করান। ভারতে গ্রেপ্তারকৃতরা নিজ নিজ এলাকায় বিপুল অর্থের লোভ দেখিয়ে কিডনিদাতাদের প্রলুব্ধ করতেন। দাতারা একেকটি কিডনির বিপরীতে ৫-৬  লাখ রুপি পেতেন। বিপরীতে চক্রটি একেকটি কিডনির জন্য রোগীদের কাছ থেকে ২৫-৩০ লাখ রুপি আদায় করত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category