নীলফামারীতে র্যাবের অভিযানে গৃহবধূ অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার।
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্ট।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
লিটন বাদীকে সময়ে অসময়ে ফোন দেয় এবং প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকে। বাদী আসামি লিটনের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এরই জেরে গত ১৫/০৩/২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় আসামি লিটন তার সহযোগীদের নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে বাদীর বাড়ির সামনে আসে এবং কিস্তির টাকার জন্য বাদীকে ডাক দেয়। বাদী বাড়ি থেকে বের হওয়া মাত্র আসামিরা বাদীর মুখে গামছা পেচিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে নেয় এবং মাইক্রোবাস জলঢাকার দিকে চালাতে শুরু করে। আসামি ভিকটিমকে ঢাকায় একটি অজ্ঞাত বাসায় নিয়ে যায় এবং গত ১৫/০৩/২০২৬ তারিখ থেকে গত ০৯/০৪/২০২৬ তারিখের মধ্যে ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। গত ১০/০৪/২০২৬ তারিখে আসামি লিটন তার সহযোগীদের নিয়ে ভিকটিমকে জলঢাকা বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ভিকটিম বিজ্ঞ আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালতের আদেশে মামলাটি গত ০৪/০৫/২০২৬ তারিখে থানায় ১১ নং মামলা হিসেবে এফআইআরভুক্ত হয়।
৩। ঘটনার পর থেকেই গ্রেফতার এড়াতে আসামিগণ চতুরতার সাথে আত্মগোপনে ছিলো। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে । এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল ২১/০৬/২০২৬ তারিখ রাত ১০.৪০ ঘটিকার সময় নীলফামারী জেলার সদর থানাধীন পঞ্চপুকুর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নীলফামারী জেলার জলঢাকা থানার অপহরণপূর্বক ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ০১। মোঃ লিটন ইসলাম (৪৫), পিতা-মোঃ এনামুল হক, সাং-পঞ্চপুকুর সবুজপাড়া, থানা-সদর, জেলা-নীলফামারী‘কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।