আসন্ন বর্ষায় জলাবদ্ধতা এড়াতে তৎপর সিটি কর্পোরেশন। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে চলছে খনন কাজ
*মোঃ সোহেল রানা, ক্রাইম রিপোর্টার, বাংলার সংবাদ খুলনা*
আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে বাঁচাতে মাঠে নেমেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক *নজরুল ইসলাম মঞ্জু*। গতকাল মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে চলমান ড্রেনের পেড়িমাটি উত্তোলন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি।
সকাল থেকে নগরীর ১৭, ১৮, ২১ ও ২৩ নং ওয়ার্ডের প্রধান ড্রেনগুলো ঘুরে দেখেন কেসিসি প্রশাসক। এ সময় তিনি ড্রেন খননের অগ্রগতি, শ্রমিকদের কাজের মান ও মাটি অপসারণের দ্রুততা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন। পেড়িমাটি যত্রতত্র না ফেলে দ্রুত ট্রাকে করে সরানোর নির্দেশ দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, “খুলনার মানুষ আর জলাবদ্ধতার কষ্ট সহ্য করবে না। বর্ষা আসার আগেই সব ড্রেন শতভাগ পরিষ্কার করতে হবে। কাজে কোনো গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। যারা দায়িত্বে অবহেলা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এটা শুধু ড্রেন পরিষ্কার না, এটা মানুষের কষ্ট লাঘবের লড়াই। সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি কর্মীকে সৈনিকের মতো কাজ করতে হবে।”
প্রশাসককে হঠাৎ ওয়ার্ডে দেখে খুশি নগরবাসী। ২১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, “আগে প্রশাসক সাহেবরা এসি রুমে বসে নির্দেশ দিতেন। মঞ্জু সাহেব নিজে এসে ড্রেন দেখছেন, এতে আমাদের আস্থা বেড়েছে।”
কেসিসি সূত্র জানায়, নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের প্রায় ২৮০ কিলোমিটার ড্রেনের পেড়িমাটি উত্তোলন কাজ চলছে। ৩০ জুনের মধ্যে সব কাজ শেষ করার টার্গেট নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০% কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি সংস্থাটির।
ড্রেনের কাদা সরিয়ে খুলনাবাসীর মুখের হাসি ফেরানোই এখন কেসিসি প্রশাসকের মূল চ্যালেঞ্জ। মাঠপর্যায়ে তার এই তৎপরতা নগরবাসীর মনে নতুন আশা জাগিয়েছে_