মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
Headline :
বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য কনস্টেবল মোঃ আবু সালেহ এর অবসর জনিত বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সাঘাটায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা কালীগঞ্জে মাদক নিয়ন্ত্রণে সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ওসির মধুপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া গাইবান্ধায় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরের মামলায় জেলা আ.লীগ নেতা রনজিত গ্রেপ্তার পাঁচবিবিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত* _ইমরুল কায়েস_ _পাঁচবিবি, জয়পুরহাট প্রতিনিধি_ কালিয়াকৈরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪৫পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রয়ের ১০ লাখ টাকা সহ -২ জন গ্রেফতার কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের টয়লেটে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আব্দুল মোতালেব নামের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা ১৯৫০ সালের ৮ জুলাই মৌলভীবাজারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবুল কাশেম মঈনুদ্দীন ও মাতার নাম বেগম রশীদা সুলতানা দীন। তার ১১ বছর বয়সে পিতা মারা যান। তার মা ছিলেন ময়মনসিংহ রাধাসুন্দরী গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা এবং একজন চিত্রশিল্পী। মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক বাংলার সংবাদ স্টাফ রিপোটার,,,

মাদক সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থান অপপ্রচারের মুখে ডিআইজি রেজাউল(মোঃ সোহেল রানা, ক্রাইম রিপোর্টার, বাংলার সংবাদ)

Update : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

মাদক সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থান অপপ্রচারের মুখে ডিআইজি রেজাউল(মোঃ সোহেল রানা, ক্রাইম রিপোর্টার, বাংলার সংবাদ)

মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কারণে খুলনা রেঞ্জজুড়ে আলোচনায় রয়েছেন ডিআইজি মো. রেজাউল হক। একই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়েছে নানা অভিযোগ ও বিতর্ক। তবে মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে অভিযোগগুলোর পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, অপরাধ দমনে তার কঠোর তৎপরতায় স্বার্থান্বেষী মহলের একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে জড়িয়েছে।
গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগে ব্যাপক রদবদল ও সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন কর্মকর্তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানামুখী আলোচনা ও অভিযোগ দেখা যায়। সম্প্রতি ফেসবুকে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হককে নিয়েও একাধিক পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। তবে অনুসন্ধানে অভিযোগগুলোর পক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনো দালিলিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
১৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. রেজাউল হক বর্তমানে খুলনা রেঞ্জের দায়িত্ব পালন করছেন। সহকর্মী, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনে তিনি কঠোরতা ও মানবিকতার সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করছেন।
খুলনা রেঞ্জে যোগদানের পর থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশি সেবা সহজলভ্য করতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ নিয়ে যোগাযোগ করলে তা দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়ে যাতে কোনো মানুষ হয়রানির শিকার না হন কিংবা অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম বা অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে রেঞ্জজুড়ে জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, খুলনা অঞ্চলে মাদক কারবার, চোরাচালান, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ডিআইজি রেজাউল হক। তার নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন তৎপরতায় অপরাধচক্রের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে ধারণা করছেন অনেকে।
খুলনার স্থানীয় সাংবাদিক এম রোমানিয়াহ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী জানান, পেশাগত প্রয়োজনে তথ্য সংগ্রহে তারা ডিআইজি রেজাউল হকের সহযোগিতা পেয়েছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি পেশাদার সম্পর্ক বজায় রাখেন এবং তথ্য প্রদানে সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব দেখান বলেও তারা উল্লেখ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অতীত কর্মস্থল, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা কিংবা বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যেসব দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর পক্ষে অনুসন্ধানে কোনো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সচেতন মহলের মতে, যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য বিভ্রান্তির জন্ম দিতে পারে এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের পেশাগত কাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, কোনো কর্মকর্তার মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার পেশাগত দক্ষতা, সততা ও দায়িত্ব পালনের ভিত্তিতে। তাদের ভাষ্য, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের জন্য স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর ক্ষেত্রেও তথ্য প্রমাণভিত্তিক যাচাই প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।


More News Of This Category