সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
Headline :
রাজনীতিমুক্ত শিক্ষা অধ্যাপক ড. এস কে আকরাম আলী। পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন তেরখাদা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আমিনুল ইসলাম আমিন। দিঘলিয়ার বারাকপুর খেয়াঘাটে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়াই টোল আদায়ের অভিযোগ। তেরখাদায় উপজেলায়া ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও সমাবেশ স্থায়ী বহিষ্কারসহ কমিটি পুনর্গঠনের দাবি । লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় স্বপ্না বেগম নামে ৫০ বছর বয়সী এক না’রীকে গণধ’র্ষ’ণের পর শ্বা’সরোধে হ’ত্যার অভিযোগ উঠেছে। দিঘলিয়ার বারাকপুর খেয়াঘাটে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়াই টোল আদায়ের অভিযোগ। জাতীয় নদী দিবসে নৌপথ চালুর দাবিতে সাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত। একটি জাতির আসল শক্তি। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও শিশু ধর্ষণ- হত্যার বিচারের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন। বান্দরবানে হোটেল “হিলি রেইনবো” আবাসিক হোটেলের নামকরণ ও বিলবোর্ড স্থাপন সম্পন্ন ।

দিঘলিয়ার বারাকপুর খেয়াঘাটে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়াই টোল আদায়ের অভিযোগ।

Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা, বাংলার সংবাদ।

খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর খেয়াঘাটে চলতি মে মাসে বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার না থাকলেও টোল আদায় চলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘাটটির ইজারা সংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতার সুযোগে বর্তমানে দুইটি পক্ষ পাল্টাপাল্টি টোল আদায় করছে। এতে যাত্রী ও যানবাহন চালকদের মাঝে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বারাকপুর খেয়াঘাটে প্রতিদিন শত শত মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পারাপার হয়ে থাকে। তবে মে মাসের জন্য নতুন কোনো বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার বা ইজারা অনুমোদনের কাগজপত্র প্রকাশ না হলেও ঘাটে নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সকালে এক পক্ষ টোল আদায় করলে বিকেলে আরেক পক্ষ এসে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ দাবি করে টাকা আদায় করছে। এ নিয়ে মাঝে মধ্যেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে না চাইলেও তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যাত্রী বলেন,
“আমরা বুঝতে পারছি না কাকে টাকা দেবো। একপক্ষকে টাকা দিলে পরে আরেকপক্ষ এসে আবার টাকা দাবি করে। এতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বের ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও নতুনভাবে ওয়ার্ক অর্ডার অনুমোদন হয়নি। অথচ সেই সুযোগে কিছু ব্যক্তি নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে টোল আদায় অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কেউ স্পষ্ট বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে একটি পক্ষ দাবি করেছে, তারা পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘাট পরিচালনা করছে। অপর পক্ষের দাবি, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান থাকায় তারাই বৈধভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

এদিকে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়া কীভাবে প্রকাশ্যে টোল আদায় চলছে এবং প্রশাসন কেন এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে বৈধতা যাচাইসহ অবৈধ টোল আদায় বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় যে কোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।


More News Of This Category