মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
Headline :
আদিতমারীতে অবৈধ জাল রাখার দায়ে যুবকের ১ বছরের কারাদণ্ড। লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২৪ জনগনের উন্নয়ন ও জনবান্ধব কাজ করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর, ময়মনসিংহে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মকবুল হোসেন, সিনিয়র রিপোটার স্বামীকে খুঁজতে মধুপুরে, পাশে দাঁড়াল প্রয়াস টিম—ইউএনওর নির্দেশে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: দিনাজপুর বিরলে সংযোগ সড়ক নিয়ে বিরোধে মানববন্ধনে হামলা, সাংবাদিকদেরও হেনস্তার অভিযোগ রনজিৎ সরকার রাজ দিনাজপুর প্রতিনিধি: সার্বিক উন্নয়নে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে গাইবান্ধার চার এমপির সাক্ষাৎ। মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্ততিসভা অনুষ্ঠিত মোঃ আবুল খায়ের( মনোহরগঞ্জ) কুমিল্লা পারভীন ম্যাডাম— মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পারভীন ম্যাডাম শাসনের আড়ালে যে মমতা ছিল মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সিনিয়র সাংবাদিক স্টাফ স্টাফ দৈনিক বাংলার স্ংবাদ, মধুপুরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই তরুণ। আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার। ০১৭১৭৭৭৬৯৭২ দইখাওয়া টেকনিক্যাল কলেজের পেছনে মাদকের আসর? সালামকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ, ভিডিও ভাইরালের পরও থামেনি কারবার। লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি রওশন বাবু ০১৭২৫১৯২৪২

মেগা প্রকল্প নাকি মেগা লুট?

Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

১৫০০ কোটি টাকার অদৃশ্য খেলা!
মেগা প্রকল্পর মেগা দুর্নীতি: দোহাজারী–কক্সবাজার রেলপথে ১৫০০ কোটি টাকার লুটপাট

তথ্য অনুসন্ধানে সাত পর্বের ধারাবাহিকে আজ প্রথম পর্ব।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দোহাজারী থেকে কক্সবাজার স্বপ্নের রেললাইন, কিন্তু অভিযোগ উঠেছে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের।

দোহাজারী–কক্সবাজার রেল প্রকল্প দেশের অন্যতম বড় অবকাঠামো উদ্যোগ।
কিন্তু এই প্রকল্পেই অভিযোগ, প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।

এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে ছিলেন
বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক, প্রকল্পের ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার
(DPM),কনসালটেন্সি ফার্মের ডেপুটি টিম লিডার (DTL) ও
কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালটেন্ট (CSC)
এ এন এম খসরু। ইতমধ্যে তার বিরুদ্ধে দুদকে একাধিক অভিযোগও দায়ের হয়েছে।

প্রকল্পে খসরুর দায়িত্ব ছিল
কাজের মান যাচাই, মাপ নির্ধারণ, বিল অনুমোদন এবং সার্বিক তদারকি।

অভিযোগ অনুযায়ী
তার অনুমোদন ছাড়া কোনো বিল পাস হতো না। আর এই ক্ষমতাকেই ব্যবহার করা হয়েছে দুর্নীতির মূল হাতিয়ার হিসেবে।

নকশার বাইরে কাজ দেখানো
নকশা পরিবর্তন করে অতিরিক্ত বিল
কাজ না করেই ভুয়া RFI সিগনেচার
নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার
অতিরিক্ত মেজারমেন্ট দেখানো
বাস্তবের চেয়ে বেশি বিল উত্তোলন।

এমনকি অফিস, বাসা ও গ্যারেজ ভাড়াও বাড়িয়ে দেখিয়ে ঠিকাদারের সাথে ভাগাভাগি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।২ বছর পর কোন কোন বাসা ভাড়া বাড়ানো হলেও কিছু বাসা ভাড়া কমানো হয়েছে।
বাসা ছাড়ার পর ক্ষতিপূরণ থেকেও টাকা আত্মসাৎ
এমনকি গাড়ির জ্বালানিও নাকি ছিল লুটের তালিকায়।

অভিযোগ আরও ভয়ংকর
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ও শ্রমিকদের পাওনাও বঞ্চিত করা হয়েছে।

“প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন—
যারা অনিয়মে সায় দেননি, তাদের ওপর নেমে এসেছে নির্যাতন।

ইঞ্জিনিয়ার নূরুল ইসলাম—অবৈধ কাগজে সই না করায় চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন।”
পরে সেই কাগজে সই করে খসরু কে উদ্ধার করে ইঞ্জিনিয়ার সালাউদ্দিন। যিনি খসরু সিন্ডিকেটের কক্সবাজার সাম্রাজ্য সামলাতেন।

জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার শরীয়ত উল্লাহ অনিয়ম ধরায় সালাউদ্দিন খসরুর কাছে অভিযোগ জানায়।খসরু তাকে ১৫ দিনের অবৈতনিক ছুটিপাঠায়, তারপর যখন কক্সবাজার স্টেশন এর পাশের বিল্ডিং কমপ্লেক্স নকশা অনুযায়ী হয়নি বলায় চাকরি হারান।
অন্যান্যদেরও অবৈধভাবে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

নরম মাটি শক্ত করার প্রযুক্তি PVD
এখানেও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ।
একজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জানান
‘৫% কাজেরও সঠিক মেজারমেন্ট নেই। কেউ সঠিক মেজারমেন্ট লিখলে পরে সেই কাগজ ছিড়ে ফেলে দিয়ে নিজের মত করে কাগজ তৈরি করে সিগনেচার করা হত। এ কাজের দায়িত্বে ছিলেন খসরুর আরেক অনুজ এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল।
অভিযোগ রয়েছে—
ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর পাহাড় কেটে মাটি পর্যন্ত বিক্রি করেছে।
ব্রিজ কালভার্ট না করেও বিল উত্তোলন, সমতল ভূমিতে নদী,নালা,পুকুর,পাহাড় ইত্যাদি দেখিয়ে বিল উত্তোলন,পাহাড়ের পাশে ওয়াল না করেও বিল উত্তোলন সহ অনিয়ম আর অনিয়ম।
সব অনিয়মের শেষের অংশ সামাল দিতেন কোয়ান্টিটি সার্ভেয়ার( QS) কানন বড়ুয়া। পুরো মাপজোকের বিষয়টি তিনিই সামলাতেন।এতো অনিয়ম হয়েছে যে
২০২৩ সালে ট্রেন চালুর আগেই পাহাড়ি ঢলে রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত এ এন এম খসরুর বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে প্রথমে উনি বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।তারপর নানান টালবাহানা, বারবার পিডির উপরে সব দায়িত্ব ও দোষ চাপানো সহ নানান ধরনের কথাবার্তা বলতে থাকেন।
একপর্যায়ে উনার সিন্ডিকেটের যিনি মিডিয়া সামাল দেন সেই খলিল সাহেব কে ডেকে আনেন।এই খলিল ইতমধ্যে একাধিক মিডিয়া ম্যানেজ করেছেন।খলিল সাহেব কে তিনি সাপ্লায়ার ও বন্ধু বলে সাংবাদিক দের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। খলিল উপস্থিত মিডিয়া কে বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। খসরু সিন্ডিকেট—নিচ থেকে উপর পর্যন্ত একটি শক্তিশালী চেইন।

উক্ত চেইনের খসরু সহ কানন বড়ুয়া,২০% খ্যাত সেলিম,ইন্ডিয়ার সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা সঞ্জয়, আলী নূর,সালাউদ্দিন, সাইফুল,হাবিবুর,মিলন গোস্বামী সহ নিচ থেকে একেবারে উপর পর্যন্ত সকলের মুখোশ উন্মোচিত হবে পরবর্তী পর্বগুলো তে।পর্বগুলোতে প্রত্যেকটি অনিয়ম ও দুর্নীতির খুঁটিনাটি বিষয় তথ্য প্রমাণ সহ দেখানো হবে।


More News Of This Category