বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন

Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের
প্রতারিত ও নির্যাতিতদের সহায়তার উদ্যোগ হাকিকুল ইসলাম খোকন, দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ
কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক এডভোকেট এএনএম ঈসা (যুক্তরাজ্য)ও সদস্য সচিব এমএ রউফ(কাতার)এক বিবৃতিতে প্রতারিত ও নির্যাতিতদের সহায়তায় “এনআরবি ফরিয়াদ” উদ্যোগ এবং দায়িত্বশীলতার আহ্বান করেছেন, আমরা চাই দেশের মানুষ সুখে শান্তিতে থাকুক।
দেশে-বিদেশে প্রতারণা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে যারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন, তাদের প্রতি দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হচ্ছে। আপনাদের আস্থা ও বিশ্বাস আমাদের দায়িত্বকে আরও গভীর ও অর্থবহ করে তুলেছে।খবর আইবিএননিউজ ।
মূলত প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের অভিযোগ শুনে যথাযথ সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে “এনআরবি ফরিয়াদ” গ্রুপ গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তর থেকেও বহু ভুক্তভোগী আমাদের সাথে যোগাযোগ করছেন, যা প্রমাণ করে—এই সমস্যা কেবল প্রবাসীদের নয়, বরং একটি বৃহত্তর সামাজিক বাস্তবতা।
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের সব সমস্যার সমাধান করা আমাদের একার পক্ষে সম্ভব নয়। তবে আমরা কাউকে নিরাশ করতে চাই না। একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনাদের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য আমরা একটি সুসংগঠিত পদ্ধতি অনুসরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি:
প্রতারিত, অবহেলিত বা বৈষম্যের শিকার ব্যক্তিরা প্রথমে লিখিতভাবে তাদের অভিযোগ প্রস্তুত করবেন।
সেই অভিযোগপত্র স্থানীয় জনপ্রতিনিধি—মেম্বার বা চেয়ারম্যানের নিকট উপস্থাপন করবেন।
অভিযোগপত্রের একটি কপিতে সংশ্লিষ্ট মেম্বার বা চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন।
স্বাক্ষরিত কপিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর সংযুক্ত করে আমাদের “ফরিয়াদ” গ্রুপের প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করবেন।
এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে আমরা স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারব এবং প্রয়োজনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম হব। প্রয়োজন হলে আমরা থানার ওসি, ডিসি/এসপি কিংবা বিভাগীয় কমিশনারদের সাথে সমন্বয় করে বিষয়টির সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করব।
সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়—
দায়িত্ব অবহেলা কোনো সাধারণ বিষয় নয়; এটি আমানতের খিয়ানত। ব্যক্তি যখন নিজের কর্তব্য পালন করতে ব্যর্থ হয়, তখন তার প্রভাব কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে না—সমগ্র সমাজ ও রাষ্ট্র তার ক্ষতির শিকার হয়।
প্রত্যেক মানুষই দায়িত্বশীল, এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে—এটি নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্ব পালনে অবহেলা একদিকে যেমন জবাবদিহিতার জন্ম দেয়, অন্যদিকে তা সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অবিচারের পথ তৈরি করে।
সংগঠনটি মনে করে শক্তি ও দায়িত্ববোধই একজন কর্মীর প্রকৃত যোগ্যতা নির্ধারণ করে।
অহংকার কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়; এটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর।
মানুষের প্রতি মানবিকতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি—আমলা নয়, মানুষ তৈরি করতে হবে।
দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।


More News Of This Category