রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
Headline :
মিঠাপুকুরে শিববাজার মাদ্রাসার সম্পদ ও গাছ আত্মসাতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: অবশেষে নতিস্বীকার চেয়ারম্যানের ​নিজস্ব প্রতিবেদক, মিঠাপুকুর | ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ​রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ১৬নং মির্জাপুর ইউনিয়নে অবস্থিত পূর্ব মুরাদপুর রাজ্জাকিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সম্পদ ও গাছ আত্মসাতের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে শিক্ষার্থীদের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মুখে অবশেষে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম। ​ঘটনার প্রেক্ষাপট ​দীর্ঘদিন ধরেই মাদ্রাসার মূল্যবান সম্পদ ও গাছ একটি কুচক্রী মহলের যোগসাজশে আত্মসাতের চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে আজ মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উপস্থিত হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের হক আদায়ের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। ​চেয়ারম্যানের আশ্বাস ও আপস ​পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ১৬নং মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থিত হন এবং তাদের সব দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন: ​মাদ্রাসার যে প্রাপ্য অধিকার রয়েছে, তা যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ​বিক্রয়কৃত বা লভ্যাংশের প্রায় ৫৫% ভাগ সরাসরি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পাবে। ​শিক্ষার্থীদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হবে না। ​ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা ​এই সম্পদ আত্মসাতের নেপথ্যে যারা কলকাঠি নেড়েছে, তাদের পরিচয় অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় আমাদের প্রতিনিধি নাম প্রকাশ করতে বিব্রতবোধ করছেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, এই বড় ধরনের অনিয়মের পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। ​শিক্ষকবৃন্দের ভূমিকা: অনুপস্থিত প্রতিষ্ঠান প্রধান ​বিক্ষোভ চলাকালীন একটি উল্লেখযোগ্য ও দুঃখজনক বিষয় ছিল প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভূমিকা। শিক্ষার্থীদের এই ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ কুদ্দুস সরকারকে পাশে পাওয়া যায়নি। তার এই অনুপস্থিতি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ​তবে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থাকলেও মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে মিছিলে অংশ নেন। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও দৃঢ় অবস্থানের কারণেই শেষ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। ​উপসংহার ​শিক্ষার্থীদের এই জয়কে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। তবে চেয়ারম্যানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়। গ্রামে থাকতে পারেননি ১৭ বছর নির্যাতিত বিএনপি নেতা মোঃ গোলাম ফারুক তানভীর জীবন গড়তে চান চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত ‘মডেল’ ৬নং সুইয়ার ইউনিয়ন। কুড়িগ্রামে র‌্যাবের অভিযানে ২ মণ গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। রংপুরে নির্মাণ শ্রমিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ: লালমনিরহাটে মানববন্ধন ও ৩ দিনের আলটিমেটাম ‎ চিত্রা নদীতে হারিয়ে যাওয়া ফরহাদের লাশ উদ্ধার। স্বাধীনতা নাকি অনুমতির শৃঙ্খল। ​সোনামসজিদ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির বড় সাফল্য ভারতীয় ট্রাকসহ প্রায় ৬ হাজার বোতল মাদক সিরাপ জব্দ। শ্রীবরদীতে বিলের পাড় থেকে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার

​সোনামসজিদ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির বড় সাফল্য ভারতীয় ট্রাকসহ প্রায় ৬ হাজার বোতল মাদক সিরাপ জব্দ।

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

​সোনামসজিদ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির বড় সাফল্য ভারতীয় ট্রাকসহ প্রায় ৬ হাজার বোতল মাদক সিরাপ জব্দ

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ সীমান্ত এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাথর বোঝাই একটি ভারতীয় ট্রাকসহ ৫,৯৩৫ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ করেছে বিজিবি।

​বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১১:০০ ঘটিকায় মহানন্দা ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সেখ মনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে সোনামসজিদ বিওপির একটি চৌকস টহল দল এই অভিযান চালায়। সীমান্ত পিলার ১৮৫/২-এস হতে প্রায় ৭০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাহাবাজপুর ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামস্থ ‘আলম ট্রেডার্স’ এর স্টোন ইয়ার্ডে পার্কিং করা একটি ভারতীয় ট্রাকে (WB65-D-8924) তল্লাশি চালানো হয়।
​তল্লাশিকালে ট্রাকের পাথরের স্তূপের নিচে বিশেষভাবে ত্রিপল দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ২০টি বস্তা পাওয়া যায়। বস্তাগুলো থেকে ফেন্সিডিলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার করা হয়।

​উদ্ধারকৃত মাদকের তালিকায় রয়েছে:
​Eskuf DX সিরাপ: ৩,৮৯৭ বোতল
​Fairdyl সিরাপ: ২,০৩৮ বোতল
​মোট: ৫,৯৩৫ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ।
​মাদক বহনের দায়ে পাথরসহ ভারতীয় ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় ট্রাকের চালক উপস্থিত না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে জব্দকৃত মালামাল ও মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

​এ বিষয়ে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দেশের যুবসমাজ ও আগামী প্রজন্মকে মাদকের মরণব্যাধি থেকে রক্ষা করতে বিজিবি সর্বদা তৎপর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

মিঠাপুকুরে শিববাজার মাদ্রাসার সম্পদ ও গাছ আত্মসাতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: অবশেষে নতিস্বীকার চেয়ারম্যানের ​নিজস্ব প্রতিবেদক, মিঠাপুকুর | ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ​রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ১৬নং মির্জাপুর ইউনিয়নে অবস্থিত পূর্ব মুরাদপুর রাজ্জাকিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সম্পদ ও গাছ আত্মসাতের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে শিক্ষার্থীদের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মুখে অবশেষে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম। ​ঘটনার প্রেক্ষাপট ​দীর্ঘদিন ধরেই মাদ্রাসার মূল্যবান সম্পদ ও গাছ একটি কুচক্রী মহলের যোগসাজশে আত্মসাতের চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে আজ মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উপস্থিত হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের হক আদায়ের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। ​চেয়ারম্যানের আশ্বাস ও আপস ​পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ১৬নং মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থিত হন এবং তাদের সব দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন: ​মাদ্রাসার যে প্রাপ্য অধিকার রয়েছে, তা যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ​বিক্রয়কৃত বা লভ্যাংশের প্রায় ৫৫% ভাগ সরাসরি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পাবে। ​শিক্ষার্থীদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হবে না। ​ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা ​এই সম্পদ আত্মসাতের নেপথ্যে যারা কলকাঠি নেড়েছে, তাদের পরিচয় অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় আমাদের প্রতিনিধি নাম প্রকাশ করতে বিব্রতবোধ করছেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, এই বড় ধরনের অনিয়মের পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। ​শিক্ষকবৃন্দের ভূমিকা: অনুপস্থিত প্রতিষ্ঠান প্রধান ​বিক্ষোভ চলাকালীন একটি উল্লেখযোগ্য ও দুঃখজনক বিষয় ছিল প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভূমিকা। শিক্ষার্থীদের এই ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ কুদ্দুস সরকারকে পাশে পাওয়া যায়নি। তার এই অনুপস্থিতি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ​তবে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থাকলেও মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে মিছিলে অংশ নেন। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও দৃঢ় অবস্থানের কারণেই শেষ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। ​উপসংহার ​শিক্ষার্থীদের এই জয়কে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। তবে চেয়ারম্যানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

মিঠাপুকুরে শিববাজার মাদ্রাসার সম্পদ ও গাছ আত্মসাতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: অবশেষে নতিস্বীকার চেয়ারম্যানের ​নিজস্ব প্রতিবেদক, মিঠাপুকুর | ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ​রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ১৬নং মির্জাপুর ইউনিয়নে অবস্থিত পূর্ব মুরাদপুর রাজ্জাকিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সম্পদ ও গাছ আত্মসাতের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে শিক্ষার্থীদের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মুখে অবশেষে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম। ​ঘটনার প্রেক্ষাপট ​দীর্ঘদিন ধরেই মাদ্রাসার মূল্যবান সম্পদ ও গাছ একটি কুচক্রী মহলের যোগসাজশে আত্মসাতের চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে আজ মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উপস্থিত হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের হক আদায়ের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। ​চেয়ারম্যানের আশ্বাস ও আপস ​পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ১৬নং মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থিত হন এবং তাদের সব দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন: ​মাদ্রাসার যে প্রাপ্য অধিকার রয়েছে, তা যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ​বিক্রয়কৃত বা লভ্যাংশের প্রায় ৫৫% ভাগ সরাসরি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পাবে। ​শিক্ষার্থীদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হবে না। ​ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা ​এই সম্পদ আত্মসাতের নেপথ্যে যারা কলকাঠি নেড়েছে, তাদের পরিচয় অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় আমাদের প্রতিনিধি নাম প্রকাশ করতে বিব্রতবোধ করছেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, এই বড় ধরনের অনিয়মের পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। ​শিক্ষকবৃন্দের ভূমিকা: অনুপস্থিত প্রতিষ্ঠান প্রধান ​বিক্ষোভ চলাকালীন একটি উল্লেখযোগ্য ও দুঃখজনক বিষয় ছিল প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভূমিকা। শিক্ষার্থীদের এই ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ কুদ্দুস সরকারকে পাশে পাওয়া যায়নি। তার এই অনুপস্থিতি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ​তবে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থাকলেও মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে মিছিলে অংশ নেন। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও দৃঢ় অবস্থানের কারণেই শেষ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। ​উপসংহার ​শিক্ষার্থীদের এই জয়কে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। তবে চেয়ারম্যানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।