আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্ত কাউন্সিল।
*দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রাথমিক ধারা সমূহ* মূলত ৩টি আইনের অধীনে বিচার হয়:
*১. দণ্ডবিধি ১৮৬০ – সরকারি কর্মচারী সংক্রান্ত ধারা*
ধারা অপরাধের বিবরণ
**১৬১** সরকারি কর্মচারী কর্তৃক ঘুষ গ্রহণ বা উৎকোচ নেওয়া
**১৬২** সরকারি কর্মচারীকে প্রভাবিত করার জন্য ঘুষ গ্রহণ
**১৬৩** ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে ঘুষ গ্রহণ
**১৬৪** ঘুষ গ্রহণে সহায়তা করা
**১৬৫** সরকারি কর্মচারী কর্তৃক মূল্যবান জিনিস বিনামূল্যে/কম মূল্যে গ্রহণ
**১৬৫ক** ঘুষ দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ
**৪০৯** সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
*২. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪*
এই আইনের তফসিলে দুদকের তদন্তযোগ্য অপরাধগুলো আছে। গুরুত্বপূর্ণ ধারা: 1dd5
ধারা বিবরণ
**২৬** সহায়-সম্পত্তির ঘোষণা দাখিল না করা বা মিথ্যা তথ্য দেওয়া
**২৭** জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল – অবৈধ সম্পদ
**২৮** এই আইনের অপরাধগুলো শুধু স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য
**২৮ক** দুদক আইনের অপরাধসমূহ আমলযোগ্য, আপোষ অযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
1dd5bd71
*ধারা ২৭ এর বিশেষ দিক:* যদি প্রমাণ হয় যে আপনার আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ আছে, তাহলে আদালত ধরেই নেবে আপনি দুর্নীতি করেছেন – আপনাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হবে। bd71
*৩. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২*
দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করলে এই আইনে মামলা হয়।
*দুদকের কাজের ভিত্তি – ধারা ১৭*
দুদক প্রতিরোধ, অনুসন্ধান, তদন্ত ও গণসচেতনতার কাজ করে। দুর্নীতি প্রতিরোধে নীতি প্রণয়ন, সেবা পদ্ধতির উন্নয়ন ও জনসচেতনতা তৈরী করাই মূল কাজ। e39c
*মনে রাখবেন:* ঘুষ নেওয়া-দেওয়া দুটোই অপরাধ। সরকারি কর্মচারী ঘুষ চাইলে বা অবৈধ সম্পদ থাকলে দুদকে অভিযোগ করা যায়। অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা হয়। 1dd5