বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
Headline :
বগুড়া গাবতলীতে গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-৩ নাইচা’র এমপ্লয়ি এনগেজমেন্ট’ বিভাগ থেকে “বাংলাদেশি-আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন এ্যাট নাইচা”-কে দাপ্তরিক সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের কালো আইন পাস প্রতিবাদে ২০ এপ্রিল জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে প্রাক প্রস্তুতিমূলক সভা মৌলভীবাজার জেলা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় দিন দিন লোডশেডিং বেরিয়ে চলছে ভোগান্তি সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের। খুলনায় নতুন পুলিশ সুপার মো. তাজুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান পিবিআইতে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটরযান চালক দল ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন। টাঙ্গাইলে ভুঞাপুর থানার এসআই মোঃ লাল মিয়ার নামে হাইকোর্টে মামলা। জমি উদ্ধার, পাওনা টাকা আদায় ও আইনী সহায়তার প্রতিশ্রুতি, বাস্তবে প্রতারণা”—ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন কাউন্সিলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ। আইডি কার্ড বাণিজ্যের অভিযোগে ‘দৈনিক বাংলার সংবাদ’: কথিত সাংবাদিক আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ।

মোহনগঞ্জ অনিম দে প্রত্যয় বিরুদ্ধে অপহরণ মামলায়- গ্রেফতার -১

Reporter Name / ৬১ Time View
Update : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি—

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের জেরে প্রেমিককে জেলহাজতে এবং মেয়েকে সংশোধনাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর মুন সাহা (১২) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
মোহনগঞ্জ থানার পেছনের রাউতপাড়া এলাকার সুসেন সাহার মেয়ে মুন সাহা মোহনগঞ্জের একটি হাইস্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নয়ন দের ছেলে অনিম দে প্রত্যয় (২২) এর সঙ্গে প্রায় দেড়–দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মেয়েটির। এর আগেও কয়েক দফা মুন প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়েছিল বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে তার বাবা সুসেন সাহা মোহনগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। ওই রাতেই সুসেন সাহার সঙ্গে প্রতিবেদকের কথা হয়। পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যার পর মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ প্রেমিক অনিম দে প্রত্যয়ের বাড়ি থেকে দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
থানায় প্রথমদিকে মামলা না করে আপস-মীমাংসার চেষ্টা চলে বলে জানা গেছে। তবে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলামের সঙ্গে থানার কক্ষে যোগাযোগ করলে তিনি স্পষ্ট জানান যে, ঘটনাটি ‘অপহরণ মামলা’ হিসেবে নেওয়া হবে।
পরবর্তীতে শনিবার অপহরণ মামলা রুজু করে অনিম দে প্রত্যয়কে আদালতের মাধ্যমে নেত্রকোনা কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদিকে মুন সাহাকে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে নেত্রকোনা কারাগারের নারী সংশোধন বিভাগে পাঠানো হয়।
রবিবার দুপুরে মোহনগঞ্জ থানার এসআই আজগরের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, “৬ ডিসেম্বর অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় তিনজন আসামি—অনিম দে প্রত্যয়, তার মা এবং মামা। বাকি দুইজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category