সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
Headline :
সিঙ্গারবিল থেকে ১১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক। মান্দায় ভুয়া পরিচয়ে বিয়ে, ৪ মাস পর তরুণীকে নিয়ে উধাও যুবক: আতঙ্কে পরিবার ঘানিতে সরিষার তেল মাড়াই দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত খামার ঘুরে খেলেন খাঁটি দুধ। পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিকস ও বাইসাইকেল আটক লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা মোঃসেলিম মিয়া গোমস্তাপুরে সড়কের পাশে অটো রাইস মিল নির্মাণ, সড়কে বালু-নির্মাণসামগ্রী—দুর্ঘটনার শঙ্কা মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ কসমেটিক্স-বিকাশের দোকানের আড়ালে মাদক ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ! জুয়েলকে ঘিরে চাঞ্চল্য। তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন পানি ব্যবস্থাপনা, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাউবো কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল থেকে অবসর গ্রহন করলেন ডা. নূরুল হক “হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের” কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

গোবিন্দগঞ্জে নির্যাতন ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ

Update : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫

মোঃ মিঠু মিয়া
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের মোঃ জরিপ মৃধা (২৮) এক লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে তাকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করে জোরপূর্বক ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিতে বাধ্য করেছে।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় সাত বছর আগে তিনি মোছাঃ জান্নাতী বেগমকে ৯০ হাজার টাকা দেনমোহরে মুসলিম শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ করেন। বিবাহের পর থেকে জান্নাতী বেগম অন্যান্য বিবাদীদের প্ররোচনায় স্বামী-সংসার ত্যাগ করে স্বাধীনভাবে চলাফেরা শুরু করেন এবং জরিপ মৃধাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেন।

ঘটনার দিন গত ১৬ অক্টোবর ২০২৫ ইং, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে, জরিপ মৃধাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ৪নং বিবাদীর বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানে রাত আনুমানিক ১টার সময় (১৭ অক্টোবর) তারা তাকে মারধর ও নির্যাতন করে জোরপূর্বক ৩টি নন-জুডিসিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। এছাড়াও, অজ্ঞাত এক কাজী এনে দেনমোহর বৃদ্ধি করে রেজিস্ট্রি বহিতেও স্বাক্ষর করানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগকারী আরও জানান, নির্যাতনের পর পুরো রাত আটক রাখার পর পরদিন সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি বাড়ি ফিরে আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন এবং চিকিৎসা শেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার বিষয়ে সাক্ষী হিসেবে জরিপ মৃধা স্থানীয় দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন, মোঃ খাজা মৃধা ও মোঃ মমিন। তারা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জানেন বলেও জানিয়েছেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি থানার কাছে অনুরোধ করেছেন, জোরপূর্বক নেওয়া স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রি কাগজপত্র উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দ্রুত তদন্ত করার।


More News Of This Category