বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
Headline :
ভর্তি চলছে, ভর্তি চলছে সাতলা আল মনিরাহ বালিকা মাদ্রাসায় ভর্তি চলছে। মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবাসহ আটক ১। মুন্সিগঞ্জে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া মিমাংসা করতে গিয়ে মারধরে প্রাণ গেছে বৃদ্ধের। বালিয়াকান্দিতে ভূমি সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত: প্রশংসায় ভাসছেন এসি ল্যান্ড এহসানুল হক শিপন। নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস ও বাংলা ট্র্যাভেলসের ইফতার ও দোয়া মাহফিল। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতির একটি পর্যালোচনা জাকির হোসেন বাচ্চু। ফেসবুক স্ক্রল করলেই এখন সাতলার চারদিকে শুধু চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদপ্রার্থীদের প্রচারণায় ছড়াছড়ি। মহিলা পরিষদ ও প্রগ্রেসিভ ফোরাম ইউএসএ”র আন্তজার্তিক নারী দিবস ৮ মার্চ রবিবার। মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান; ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ইয়াবা সেবককে কারাদণ্ড। ভূরুঙ্গামারীতে সেনাসদস্যের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে যুবতীর অনশন।

গোবিন্দগঞ্জে নির্যাতন ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ

Reporter Name / ১১৮ Time View
Update : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫

মোঃ মিঠু মিয়া
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের মোঃ জরিপ মৃধা (২৮) এক লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে তাকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করে জোরপূর্বক ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিতে বাধ্য করেছে।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় সাত বছর আগে তিনি মোছাঃ জান্নাতী বেগমকে ৯০ হাজার টাকা দেনমোহরে মুসলিম শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ করেন। বিবাহের পর থেকে জান্নাতী বেগম অন্যান্য বিবাদীদের প্ররোচনায় স্বামী-সংসার ত্যাগ করে স্বাধীনভাবে চলাফেরা শুরু করেন এবং জরিপ মৃধাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেন।

ঘটনার দিন গত ১৬ অক্টোবর ২০২৫ ইং, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে, জরিপ মৃধাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ৪নং বিবাদীর বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানে রাত আনুমানিক ১টার সময় (১৭ অক্টোবর) তারা তাকে মারধর ও নির্যাতন করে জোরপূর্বক ৩টি নন-জুডিসিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। এছাড়াও, অজ্ঞাত এক কাজী এনে দেনমোহর বৃদ্ধি করে রেজিস্ট্রি বহিতেও স্বাক্ষর করানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগকারী আরও জানান, নির্যাতনের পর পুরো রাত আটক রাখার পর পরদিন সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি বাড়ি ফিরে আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন এবং চিকিৎসা শেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার বিষয়ে সাক্ষী হিসেবে জরিপ মৃধা স্থানীয় দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন, মোঃ খাজা মৃধা ও মোঃ মমিন। তারা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জানেন বলেও জানিয়েছেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি থানার কাছে অনুরোধ করেছেন, জোরপূর্বক নেওয়া স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রি কাগজপত্র উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দ্রুত তদন্ত করার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category