বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
Headline :
রামুতে বিজিবির অভিযানে ৭২ লাখ টাকার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গজারিয়ায় খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ। সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত ডেকোরেশন ব্যবসা নাকি সীমান্তে মাদক বহন—অভিনব কায়দায় ইয়াবা কারবারির নতুন নাটক রাজবাড়ী-২ আসনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী হারুনের সহধর্মিণী হাদীস সংকলন ও সংরক্ষণের ইতিহাস রংপুর সদরে আদালতের রায় অমান্য করে মসজিদের জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ঐতিহ্যবাহী ফেকামারা কামিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬: গাইবান্ধায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত মো. নওয়াব আলী প্রধান

একটি নীতিবান দেশ গঠন করা একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এতে সরকার, জনগণ এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

এম এ রউফ কাতার / ২৭ Time View
Update : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

এম এ রউফ কাতারঃ

নীতিবাজ দের দারা গড়া দেশ। কিছু অদক্ষ শিক্ষক দারা শিক্ষা করা নোংরা রাজনৈতিক। এই জাতী এদের কাছ হতে অভিনয় ছাড়া কিছু পায় না।
নীতিবানদের দেশ” বলতে সাধারণত এমন একটি রাষ্ট্রকে বোঝানো হয় যেখানে ন্যায় ও নৈতিকতার ভিত্তিতে সরকার ও সমাজ পরিচালিত হয়।

এই ধরনের দেশে, আইনের শাসন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, এবং জনগণের অধিকার ও কল্যাণের প্রতি মনোযোগ দেওয়া হয়।একটি নীতিবান দেশের বৈশিষ্ট্য।
আইনের শাসন:আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় এবং সকলের জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্য।

আরও পড়ুনঃ প্রয়াত অধ্যাপক সিরাজুল হকের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত
সুশাসন:সরকারের কার্যক্রম স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে।
দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন:
দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কোনো স্থান নেই।
মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল:জনগণের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে।
সামাজিক ন্যায়বিচার:সমাজে সকল শ্রেণির মানুষের জন্য ন্যায় ও সমতা নিশ্চিত করা হয়।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা:দেশের অর্থনীতি টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন:জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ করা হয়।
গণতন্ত্র ও জনগণের অংশগ্রহণ:জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং সরকার পরিচালনায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।
পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি মনোযোগ:প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

নীতিবাজ দের দারা গড়া দেশ। কিছু অদক্ষ শিক্ষক দারা শিক্ষা করা নোংরা রাজনৈতিক। এই জাতী এদের কাছ হতে অভিনয় ছাড়া কিছু পায় না।
নীতিবানদের দেশ” বলতে সাধারণত এমন একটি রাষ্ট্রকে বোঝানো হয় যেখানে ন্যায় ও নৈতিকতার ভিত্তিতে সরকার ও সমাজ পরিচালিত হয়। এই ধরনের দেশে, আইনের শাসন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, এবং জনগণের অধিকার ও কল্যাণের প্রতি মনোযোগ দেওয়া হয়।
একটি নীতিবান দেশের বৈশিষ্ট্য।
আইনের শাসন:
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় এবং সকলের জন্য আইন সমানভাবেআবু বক্কর সিদ্দিক খান-এর বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিবাহ, আর্থিক দুর্নীতি ও রাজনৈতিক অপব্যবহারের অভিযোগ। প্রযোজ্য।

আরও পরুন;
সুশাসন:সরকারের কার্যক্রম স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে।
দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন:দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কোনো স্থান নেই।

মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল:
জনগণের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে।
সামাজিক ন্যায়বিচার:
সমাজে সকল শ্রেণির মানুষের জন্য ন্যায় ও সমতা নিশ্চিত করা হয়।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা:
দেশের অর্থনীতি টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন:
জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ করা হয়।
গণতন্ত্র ও জনগণের অংশগ্রহণ:
জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং সরকার পরিচালনায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।
পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি মনোযোগ:
প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
একটি নীতিবান দেশ গঠন করা একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এতে সরকার, জনগণ এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category