কালীগঞ্জের U N O-কে ঘিরে অপপ্রচার: সত্যকে আড়াল করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি।
মোঃ নাজিউর রহমান রিজভী, নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলার সংবাদ।
একজন সরকারি কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক পরিচয়ে চিহ্নিত করার আগে প্রমাণ থাকা আবশ্যক। আর যদি সেই প্রমাণ না থাকে, তবে এমন বক্তব্য নিছক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ছড়ানো ছাড়া কিছুই নয়।
প্রশ্ন হচ্ছে, কোথায় সেই কাগজপত্র? কোথায় সেই অফিসিয়াল নথি, যা দেখিয়ে বলা যাবে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী? যদি সত্য থাকে, সামনে আনুন। আর যদি না থাকে, তাহলে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন করার এই অপচেষ্টা বন্ধ করুন।
একজন U N O রাষ্ট্রের প্রতিনিধি। তার কাজ জনগণের সেবা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন। তাকে রাজনৈতিক রঙে রাঙিয়ে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
আজকাল কিছু মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করছে চরিত্রহননের অস্ত্র হিসেবে। প্রমাণহীন অভিযোগ ছড়িয়ে দিয়ে তারা নিজেদের উদ্দেশ্য সফল করতে চায়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, মিথ্যার পায়ে শক্তি থাকে না। সত্য একদিন নিজের জায়গা করে নেয়ই।
যারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা আগে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করুন। কারণ অন্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আগে নিজের দায়িত্বশীলতা প্রমাণ করা জরুরি। গণতান্ত্রিক সমাজে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে, কিন্তু তা কখনোই অপপ্রচার বা মানহানির লাইসেন্স নয়।
কালীগঞ্জবাসী সচেতন। তারা জানে কে কাজ করছে, আর কে শুধু কাদা ছোড়াছুড়িতে ব্যস্ত। তাই বিভ্রান্তি নয়, তথ্যভিত্তিক আলোচনা হোক। আবেগ নয়, প্রমাণের ভাষা কথা বলুক।