শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
Headline :
১৫ নভেম্বরের মধ্যেই মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট লাগানো বাধ্যতামূলক পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যের নীলাভূমি নাগেশ^রীর ডাকনিরপাট পদ্মবিল প্রথম স্ত্রীর কথা জানার পরিণতি, পরিকল্পিত হত্যার শিকার শিকলবাহার জান্নাতুল পানছড়িতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবির ড্রোন নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল মহপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ বিয়ের আগের দিনই বরের মৃত্যু: গাইবান্ধায় আনন্দ ঘেরা দুই পরিবারে হঠাৎ শোকের ছায়া কালভার্ট আছে, সড়ক নেই: নীলফামারীতে দুই ইউনিয়নের হাজারো মানুষের চরম ভোগান্তি রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার। বীরগঞ্জে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার শেরপুর

Update : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

রোডের বাসিন্দা মারিয়া হাসান মাইশা অর্জন করেছেন এক অসাধারণ সাফল্য। তিনি Asian University for Women-এ অধ্যয়নের জন্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকার (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ পেয়েছেন। চার বছর মেয়াদি এই স্কলারশিপের আওতায় তিনি প্রতি বছর পাবেন ১৫ হাজার ডলার, যা তার উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ পথকে আর্থিকভাবে সুরক্ষিত করবে।

২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর গত ১ জুলাই তিনি Chevron Bangladesh-এর সহায়তায় পরিচালিত STEM-ভিত্তিক সামার স্কুল প্রোগ্রামে অংশ নেন। এই প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই তার জন্য খুলে যায় আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার এই বড় সুযোগের দরজা।

মাইশার বাবা, ব্যাংকের কর্মকর্তা মনজুর হাসান মনির, ২০১৭ সালে মারা যান। এরপর থেকে তার মা রেবেকা সুলতানা ছোট একটি পোশাক ব্যবসা পরিচালনা করে পরিবারের দায়িত্ব বহন করে আসছেন। প্রতিকূলতার মধ্যেও মাইশা নবীগঞ্জের জে.কে. হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং পরে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ২০২৫ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন।

মানবিক বিভাগ থেকে উঠে এসে বিজ্ঞানভিত্তিক সামার স্কুলে অংশ নেওয়া তার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই চ্যালেঞ্জ জয় করেই তিনি প্রমাণ করেছেন, সুযোগ ও পরিশ্রম থাকলে সীমাবদ্ধতা ভেঙে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

প্রায় ৭৫ লাখ টাকার এই স্কলারশিপ শুধু মাইশার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি তার পরিবারের দীর্ঘ সংগ্রামের স্বীকৃতি এবং বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মা ও বড় ভাইয়ের নিরন্তর সমর্থন, শিক্ষকদের উৎসাহ এবং নিজের অদম্য চেষ্টা তাকে পৌঁছে দিয়েছে এই গৌরবময় সাফল্যে।মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি সটাফ রিপোটার,,,


More News Of This Category