*”সরাইল উপজেলা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবে আড্ডা”*
কলমে /সাংবাদিক এম বাদল খন্দকার।
সরাইল উপজেলা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের দেয়ালে
আজ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামে।
পুরনো ফ্যানের বাতাসে ওড়ে কাগজ,
আর টেবিল জুড়ে বসে তিন কলমযোদ্ধা।
এম বাদল খন্দকার, চোখে সংবাদের দায়,
গ্রামের মাটি, মানুষের কথা মুখে গাঁথা।
আবু তাহের, হাসিতে যার জড়তা ভাঙে,
কথার ফাঁকে ফাঁকে উঠে আসে সমাজের ব্যথা।
রৌনাক খান, শান্ত অথচ গভীর,
নোটবুকের পাতায় জমে যায় আগামীর কথা।
টেবিলের মাঝে আজ আয়োজন সামান্য,
কয়েকটা আপেল, কয়েকটা কমলা, কয়েকটা পেয়ারা।
আহা, কত বড় আয়োজন এটাই!
ফলের টুকরোয় যেমন রস,
তেমনি কথায় কথায় ঝরে পড়ে অভিজ্ঞতার ধারা।
বাদল ভাই আপেল কাটতে কাটতে বলেন,
“সংবাদ মানেই শুধু খবর না,
সংবাদ মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো।”
তাহের ভাই কমলা ছিলতে ছিলতে হাসেন,
“আমরা লিখি, কারণ কলমই আমাদের অস্ত্র।”
রৌনাক ভাই পেয়ারায় কামড় দিয়ে বলেন,
“টক-মিষ্টি জীবনের মতোই সাংবাদিকতা,
কখনো কঠিন, কখনো মধুর।”
বাইরে সরাইলের রাস্তায় গাড়ির শব্দ,
ভিতরে তিনজনের গলায় দেশ, সমাজ, সাহিত্য।
কখনো আলোচনা উঠে আসে বস্তির শিশুর,
কখনো কৃষকের ধানের দাম,
কখনো আবার উঠে আসে কবিতার লাইন।
প্রেসক্লাবের এই ঘরটা শুধু ইট-কাঠ না,
এটা স্বপ্ন দেখার জায়গা।
এখানে কলম ধার হয়,
এখানে বিবেক জেগে ওঠে।
আড্ডা শেষে যখন তিনজন উঠে দাঁড়ায়,
টেবিলে পড়ে থাকে ফলের খোসা আর চায়ের কাপ।
কিন্তু রয়ে যায় কথার রেশ,
রয়ে যায় দায়িত্বের ভার।
সরাইল উপজেলা বাংলাদেশ প্রেসক্লাব,
তোমার দেয়ালে আজও লেখা হোক সত্যের কথা।
আর তিন সাংবাদিক, এম বাদল খন্দকার, আবু তাহের, রৌনাক খান,
তোমাদের আড্ডা বেঁচে থাকুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।