মোঃ জাকির উল্লাহ পাতাঃ
১৯৮৬ ফেডারেশন কাপ ফুটবল সেমিফাইনালে লড়ছে আবাহনি- মোহামেডান। আবাহনির আসলাম, প্রেম লাল, রুপু, ইউসুফ পেনাল্টি স্যুট আউটে লক্ষ্যভেদে গোল করে আবাহনীকে এগিয়ে রাখেন।
গোল পোষ্টে শেখ মামুন মোহামেডানের ইলিয়াস, এমিলির শর্ট ঠেকিয়ে আবাহনীকে ফাইনালে নিয়ে যান। বর্তমানে রুপু, মামুন দুইজনে আবাহনীর ফুটবল, ক্রিকেট দলের ম্যানেজার। ১৪ বছর পর মোহামেডান ফুটবল লীগের চ্যাম্পিয়ন হল এবার ২০২৫ এ।
বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় খেলার পৃষ্ঠায় হেডলাইন ছিল ডাবল হ্যাট্রিকের ব্যারথতায় আবাহনীর ফুটবল দল। অনেক প্রতিকূলতার মাঝে আবাহনী দল গঠন করে শেষ মুহূর্তে।
আরও পড়ুনঃ আমার ভোট টা আপনার দলকেই দিতাম
গত মৌসুমে নির্ভরযোগ্য ১০ ক্রিকেটার একজগে দল ত্যাগ করেন। দলে ছিলনা কন স্টার সুপার স্টার, নামি দামি খেলোয়াড়। ১ম বার প্রশিক্ষন দিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার হান্নান সরকার। ১৯৮২ ফুটবল লীগে আবাহনীর ক্যাপ্তেঞ্ছিলেন কাজী আনোয়ার। একসাথে খেলেছিলেন ফুটবল ক্রিকেট।
ম্যানেজার শেখ মামুন সহ সকল কর্মকর্তাদের একনিষ্ঠতা । খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম, টিম স্পিড মহান আলাহপাকের অশেষ মেহেরবানীতে ক্রিকেট লীগে আবাহনী চ্যাম্পিয়ন হল। এটি আবাহনীর হ্যাট্রিক শিরোপা।
ঢাকা ক্রিকেট লীগে এবার নিয়ে দুইবার হ্যাট্রিক শিরোপা অর্জন করলো আবাহনী। যে রেকর্ড আর কাহারো নেই। সব মিলিয়ে ২৪ তম আবাহনীর ক্রিকেট শিরোপা। দ্বিতীয় স্থানে মোহামেডানের নয়বার ক্রিকেট শিরোপা ।
এ যেন একই রকম সেম সাইড মোহামেডানের ফুটবল দল, আবাহনীর ক্রিকেট দল। আবাহনী ক্রিকেট দলের সফলতা কামনায় মোঃ জাকির উল্লাহ পাতা। ক্রীড়া সাংবাদিক, দৈনিক বাংলার সংবাদ।