শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
Headline :
এদিকে ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, “আগামী রোববার ঘটনাস্থলে সরেজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ধর্মপাশা উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। মিঠামইন উপজেলা বিএনপি সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরকে হত্যা বাঁশখালীর বন্যার্তদের পাশে বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, ৬০০ মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ মোহনগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি- রাকিব, সাধারণ সম্পাদক- অপু। শহিদ জুলাই যোদ্ধা বিশালের পরিবারের খোঁজ নিলেন উপজেলা প্রশাসন, দিলেন ফল উপহার পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটির লংগদুতে জুলাই শহীদের স্মরণে আলোচনা ও দোয়া” এএফডব্লিউসি টিমের পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করেন-

‎শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: স্বাধীনতা, জাতীয়তাবাদ ও উন্নয়নের এক অবিস্মরণীয় নাম ‎।

Update : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

‎বিপ্লব চৌধুরী, বাংলার সংবাদ।

‎বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে Ziaur Rahman এক অনন্য ও আলোচিত নাম। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সফল সেনা কর্মকর্তা, রাষ্ট্রনায়ক এবং আধুনিক বাংলাদেশের রাজনৈতিক ধারার অন্যতম রূপকার। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে তার অবদান আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

‎১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। তার পিতা মনসুর রহমান ছিলেন একজন রসায়নবিদ ও সরকারি কর্মকর্তা। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী ও শৃঙ্খলাপরায়ণ। পরবর্তীতে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিয়ে সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন।

‎১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তার স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছিল। তিনি সেক্টর কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং অসীম সাহসিকতার জন্য “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

‎স্বাধীনতার পর দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৭ সালে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তার শাসনামলে দেশের কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

‎তিনি গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন, খাল খনন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার সময়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি লাভ করে।

‎জিয়াউর রহমান “বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ” ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি জাতীয় ঐক্য, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং দেশের স্বাধীন সত্তাকে গুরুত্ব দেন। তার প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি) আজও বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

‎১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সামরিক অভ্যুত্থানে শহীদ হন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তার মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করে। আজও বহু মানুষ তাকে একজন দেশপ্রেমিক, সাহসী সেনানায়ক ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্মরণ করেন।

‎শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার নেতৃত্ব, দেশপ্রেম এবং উন্নয়নমূলক চিন্তাধারা দেশের রাজনীতি ও সমাজে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। স্বাধীনতার চেতনা, জাতীয়তাবাদ ও উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে তিনি আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছেন।


More News Of This Category