রাজিবপুরে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও কার্য সহকারীর বিরুদ্ধে।
রাজিবপুর ( কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ
কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোছা. সাবিনা খাতুন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও কার্য সহকারী মাহাবুরের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
আবেদনে তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪–২০২৫ ও ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের কয়েকটি কাবিখা ও টিআর প্রকল্পে প্রকল্প চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থের একটি অংশ তাকে না দিয়ে কার্যসহকারী মাহাবুর ও সংশ্লিষ্ট পিআইও রেখে দিয়েছেন।
অভিযোগে উল্লেখিত প্রকল্পগুলো হলো,
প্রকল্প নং-৩ (কাবিখা): ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জয়নাল আবেদীন মাস্টারের বাড়ির দক্ষিণ পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ প্রকল্পে ২ লাখ ৮১ হাজার ১০০ টাকা কার্যসহকারী মাহাবুর ও পিআইও রেখে দিয়েছেন বলে অভিযোগ।
প্রকল্প নং-২ (টিআর): মদনপাড়া জাফরের বাড়ি থেকে রেফাজের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত প্রকল্পে ৪৮ হাজার টাকা রেখে দেওয়ার অভিযোগ।
প্রকল্প নং-৭ (টিআর): ছালাম মণ্ডলের বাড়ির সামনে থেকে কালামের বাড়ি পর্যন্ত মাটি ভরাট প্রকল্পে ৭০ হাজার টাকা রেখে দেওয়ার অভিযোগ।
প্রকল্প নং-৩ (কাবিটা): মদনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের গাইড ওয়াল ও মাটি ভরাট প্রকল্পে ৫০ হাজার টাকা রেখে দেওয়ার অভিযোগ।
২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের গাইড ওয়াল নির্মাণ প্রকল্প: বাবুলের বাড়ি থেকে জবেদ আলীর বাড়ি পর্যন্ত গাইড ওয়াল নির্মাণ প্রকল্পে ৫০ হাজার টাকা রেখে দেওয়ার অভিযোগ।
২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের কাবিখা (চাউল) প্রকল্প নং-৪: জিগাপাড়া মান্নানের বাড়ি থেকে আজাদের বাড়ি পর্যন্ত গাইড ওয়াল ও রাস্তা মেরামত প্রকল্পে ১ লাখ ১২ হাজার ১২৫ টাকা রেখে দেওয়ার অভিযোগ।
আবেদনে ইউপি সদস্য দাবি করেন, এসব প্রকল্পে তার কাছ থেকে স্বাক্ষর ও সাদা চেক নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার প্রাপ্য অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, যে অভিযোগটি তারা করেছেন সেটি সম্পুর্ন ভিত্তিহীন ও ভুয়া এ অভিযোগের সত্যতা নেই।
কার্য সহকারী মাহাবুর বলেন, অভিযোগ সম্পুর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন
উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী কর্মকর্তা সায়েকুল হাসান খান বলেন, ইউএনও হিসেবে আজই আমার প্রথম দিন, অভিযোগের বিষয়ে জানা নেই যদি এমন অভিযোগ হয়ে থাকে তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জিয়াউর রহমান জিয়া
০১৭০৭৪৫১০৩০