জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর:
যশোর-৫ (মনিরামপুর) সংসদীয় আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মনিরামপুর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। জোটের সিদ্ধান্তের অজুহাতে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও জনপ্রিয় নেতৃত্বকে উপেক্ষা করে তুলনামূলকভাবে জনবিচ্ছিন্ন একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, যুগের পর যুগ ধরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা মনিরামপুরে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত গড়ে উঠেছে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মাধ্যমে। আন্দোলন-সংগ্রামে কারাবরণ, মামলা-হামলা, গুম-খুনের শিকার হয়েও এখানকার নেতাকর্মীরা দল ত্যাগ না করে বিএনপির পতাকাকে সমুন্নত রেখেছেন। অথচ বারবার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মনিরামপুর উপজেলা বিএনপি অবহেলার শিকার হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।
নেতাকর্মীদের মতে, অ্যাডভোকেট শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মনিরামপুর উপজেলা বিএনপিকে সংগঠিত করে রেখেছেন। তাঁর মেধা, নেতৃত্ব ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন এবং দলকে সুসংহত রেখেছেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়ন দিয়ে আবার তা প্রত্যাহার করায় ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী জানান, জোটের নামে চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিতে পারছেন না। ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করে কাউকে মনোনয়ন দিলে মাঠপর্যায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ অবস্থায় মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে—যশোর-৫ মনিরামপুর সংসদীয় আসনে জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে বহাল রাখা হোক।
নেতাকর্মীরা বলেন, দল ও আন্দোলনের স্বার্থে মাঠের বাস্তবতা বিবেচনা করে দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলে সাংগঠনিক ক্ষতি হতে পারে।