মোঃ আকাশ বান্দরবন জেলা প্রতিনিধি
01872534491
বাংলাদেশকে সুখী ও সমৃদ্ধশালী একটি রাষ্ট্র গঠন করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী সকল সংস্থাকে এগিয়ে আসতে হবে। শিশু ও নারীদের উন্নয়ন এবং অতি দরিদ্রদের প্রতি বিশেষ নজর রেখে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে, এমনটাই বলেছেন বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি।
২৯মার্চ রবিবার সকালে বান্দরবানের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন) এর বাস্তবায়নে এবং ওয়ার্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় সদর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে হতদরিদ্র পরিবারের উন্নয়নের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) এর মাধ্যমে অর্থ বিতরণ কর্মসূচি এর এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি।
এসময় তিনি বলেন, আমাদের সমাজে কেউ গরীব আর অসহায় থাকুক আমরা চাই না। আমরা প্রত্যোকে যাতে স্বাবলম্বী হয় এবং পাশের প্রতিবেশী ও যাতে স্বচ্ছলভাবে জীবনধারণ করে এটাই আমাদের প্রত্যাশা হোক। তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সাধারণ জনগণের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে আর সমাজের বিত্তবানদের দরিদ্র ও অতিদরিদ্রদের পাশে আরো এগিয়ে আসা উচিত।
বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সত্যজিৎ মজুমদার।
গ্রাউস এর চেয়ারপার্সন মংথুই চিং মারমা এর সভাপতিত্বে এসময় ওয়ার্ল্ড ভিশন এর টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট এম এ আজিজ, গ্রাউস এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার টুলু মারমা, গ্রাউস এবং ওয়াল্ড ভিশনের বিভিন্ন উপকারভোগী এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থি ছিলেন।
এসময় বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়ন, রাজবিলা ইউনিয়ন, জামছড়ি ইউনিয়ন, টংকাবতী ইউনিয়ন, বান্দরবান পৌরসভাসহ মোট ৬টি এলাকার ৬৬৫ জন অতিদরিদ্র পরিবারকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতা অর্জনের লক্ষ্যে এবং শিশুদের লেখাপড়া করানোর পাশাপাশি পশুপালনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্য জনপ্রতি ১০হাজার টাকা করে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্ধোধন করেন বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি।
বক্তারা জানান, বান্দরবানের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন) এর বাস্তবায়নে এবং ওয়ার্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় বান্দরবানে অতিদরিদ্র পরিবারের উন্নয়নের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) এর মাধ্যমে অর্থ বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে, আর এই কর্মসূচী সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে এলাকার অনেক অতিদরিদ্র পরিবারে আবারোও স্বচ্ছলতা ফিরে আসবে এবং এলাকার আরো উন্নয়ন তরান্বিত হবে।