হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজঃ
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ মে ২০২৬।জ্যাকসন হাইটসে ৬৯ স্ট্রিট থেকে ৩৭ এভিনিউ ধরে এই প্যারেড যাবে ৮২ স্ট্রিটে। এরপর অনুষ্ঠিত হবে নাচ-গান আর বক্তব্য। গত বুধবার,১ এপ্রিল প্যারেড কমিটির সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয় যে, নিউইয়র্ক অঞ্চলের দেড় শতাধিক অ্যাক্টিভ সংগঠনকে (সামাজিক-সাংস্কৃতিক- পেশাজীবী-আঞ্চলিক) আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে নিজ নিজ ব্যানার নিয়ে প্যারেডে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে। খ্যাতনামা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে প্যারেডে ফ্লট-সহ অংশগ্রহণের আহবানে।খবর আইবিএননিউজ।প্যারেড কমিটির সদস্য সচিব ফাহাদ সোলায়মান ও চিফ ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর ফেমড রকির সঞ্চালনা ও পরিচালনায় নবান্ন পার্টি হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন মঞ্চে উপবেশন ও নানা বিষয়ে কথা বলেন প্যারেড কমিটির চেয়ারম্যান ও ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, আহবায়ক ও মূলধারার রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ, গ্র্যান্ড মার্শাল ও বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এম আজিজ, বাপার প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন প্রিন্স আলম, বিশিষ্ট শিল্পপতি হাসানুজ্জামান হাসান, কমিউনিটি লিডার আহসান হাবিব, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, প্রবাসের জনপ্রিয় সংগঠক নাসির খান পল, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান প্রমুখ। এছাড়াও কথা বলেছেন এলাকার এসেম্বলীম্যান স্টিভ রাঘা ও এসেম্বলী নির্বাচনের প্রার্থী শামসুল হক, নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি ফয়সাল আজিজ এবং ফারহান আব্দুর রহমান। এ সময় নতুন প্রজন্মের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর সমাগম ঘটানোর আশ্বাস দেন ফারহান। আরো জানানো হয় যে, এবারের প্যারেডে অনেক বেশি মানুষের সম্পৃক্ততা ঘটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাহলেই প্যারেড আয়োজনের লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে।
মূলধারার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও সিটি মেয়র ও স্টেট গভর্নরের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। লাল সবুজের পতাকা হাতে প্রবাস প্রজন্ম এবং জনপ্রিয় শিল্পীরাও থাকবেন প্যারেডের প্রতিটি পর্বে। সংবাদ সম্মেলনে প্যারেডে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সংস্থার তালিকাভুক্ত হওয়ার ফরমও বিতরণ করা হয়। প্যারেডের চেয়ারপারসন অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, কনভেনর গিয়াস আহমেদ, সদস্য সচিব ফাহাদ সোলায়মান অভিন্ন কণ্ঠে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান, দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে প্যারেডে অংশগ্রহণের জন্য।
বাঙালি ও বাংলাদেশের কালচার, স্বাধীনতার দীর্ঘ ইতিহাস-ঐতিহ্য প্রবাস প্রজন্মকেই শুধু নয়, বহুজাতিক এ সমাজে জাগ্রত রেখে নিজেদের অবস্থানকে আরো সুসংহত করতে এই প্যারেডের গুরুত্ব অপরিসীম বলেও উল্লেখ করেন সবাই। তারা বলেন, এই প্যারেড হচ্ছে প্রতিটি বাংলাদেশির। আমরা কেবল আয়োজনে সহায়তা করছি।
বাংলাদেশ সোসাইটির উদ্যোগে নিউইয়র্কে প্রথম প্যারেডের স্মৃতিচারণ করে সে সময়ের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম বলেন, প্রতিটি সংগঠনের শীর্ষ কর্তাদেরকে ফোন করতে হবে প্যারেড কমিটির পক্ষ থেকে। তাহলে তারা সম্মানিত বোধ করবেন এবং প্যারেডে অংশগ্রহণে আরো বেশি আগ্রহী হবেন। সংবাদ সম্মেলনে বেশ কিছু সংগঠনের প্রতিনিধি ছাড়াও ছিলেন জনপ্রিয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। এ সময় জানানো হয় যে, প্যারেডে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর অভিপ্রায়ে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় জনসংযোগ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ওইদিন সকাল ৮টা থেকে ৬৯ স্ট্রিটের পার্কিং এলাকায় মানুষ জড়ো হবেন। এর এক ঘণ্টা পর শুরু হবে প্যারেড। প্যারেডের শৃঙ্খলায় থাকবেন বাপার নেতৃবৃন্দ।