বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
Headline :
রামুতে বিজিবির অভিযানে ৭২ লাখ টাকার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গজারিয়ায় খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ। সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত ডেকোরেশন ব্যবসা নাকি সীমান্তে মাদক বহন—অভিনব কায়দায় ইয়াবা কারবারির নতুন নাটক রাজবাড়ী-২ আসনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী হারুনের সহধর্মিণী হাদীস সংকলন ও সংরক্ষণের ইতিহাস রংপুর সদরে আদালতের রায় অমান্য করে মসজিদের জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ঐতিহ্যবাহী ফেকামারা কামিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬: গাইবান্ধায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত মো. নওয়াব আলী প্রধান

চিংড়ি চাষে বিপ্লব আনতে পারে হরিণা চিংড়ি

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
চিংড়ি চাষে বিপ্লব আনতে পারে হরিণা চিংড়ি

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া ,খুলনাঃ

শনিবার ২৮ জুন ২০২৫ সকাল সাড়ে ১০টায় গল্লামারী মৎস্য খামারের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি মো: হাছানুজ্জামান, যুগ্ম সচিব, মৎস্য ও প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয়, বলেন চিংড়ি চাষীদের জন্য নব দিগন্ত উন্মুচোন করতে পারে হরিণা চিংড়ি
উপক’লীয় এলাকার ভাগ্য বদলে দিতে পারে হরিণা চিংড়ি ।

হরিণা চিংড়ি উপক’লীয় এলাকার একটি পরিচিত নাম্। সাধানরত বাগদা চিংড়ির ঘেরে সাথী ফসল হিসেবে এটি উৎপাদন হয় এবং জেলেরা নদী থেকেও এটি আহরণ করে থাকেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিপুল কুমার বশাক, কিন্তু এ চিংড়ির একক চাষ করেও লাভবান হওয়া যায় কিনা সেটি নিয়ে গবেষণা করেছেন সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয় থেকে প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ এনামুল কবির। প্রায় এক বছর গবেষণা করার পর আজ এ বিষয়ের উপর মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার, খুলনা সদর, খুলনা এ গবেষণা ফলাফলের উপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হলো প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা।

আরও পড়ুনঃ গাবতলীতে প্রতিপক্ষের আগুনে বসতবাড়ী পুড়ে ছাই

মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড। গবেষকগন জানান যে, চিংড়ি চাষীদের জন্য নব দিগন্ত উন্মুচোন করতে পারে হরিণা চিংড়ি। মাত্র ২/৩ মাসে একটি ফসল ঘরে তোলা সম্ভব, সেক্ষেত্রে হরিণা চিংড়ির বছরে অনায়াসে ৩টি ফসল করা সম্ভব এবং এটি বাগদা চিংড়ির থেকে লাভবান ফসল হতে পারে। তারা আরও জানান যে, এ প্রজাতির চিংড়ি অত্যন্ত কষ্ট সহিন্সু এবং রোগে কম আক্রান্ত হয়।

তাই এটি একক চাষের আওতায় আনা গেলে এবং উপক’লীয় ১৬টি জেলায় সেটি ছড়িয়ে দিলে চিংড়ি চাষে বিপ্লব আসবে। গবেষকগন হরিণা চিংড়ির চাষ উপযোগী একটি ইনোভেটিভ খাদ্য তৈরী করেছেন।

কর্মশালায় গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগ, খুলনা। গবেষণা প্রকল্পটিতে ফান্ডিং করেছে মৎস্য অধিদপ্তরের সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্ট।

উপস্থিত ছিলেন জেলা উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা, সাংবাদিক, হরিণা চিংড়ি চাষী ও সুধীজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category