শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
Headline :
দেশের শিক্ষার অগ্রগতি: প্রতি জেলায় “দেশবন্ধু” খেতাব প্রদান রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ছয় দফা দাবিতে ১৭ ফেব্রুয়ারি বার্মিংহাম হাইকমিশনে স্মারকলিপি প্রদান আমি এমপি মানে গোয়াড়া গ্রামের সকল মানুষ এমপি’ —আজিজুল বারী হেলাল বরিশাল–১ আসনের এমপি এম. জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে প্রবাসী বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়ার সৌজন্য সাক্ষাৎ গাইবান্ধায় ২৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৪০ প্রার্থীর মধ্যে অধিকাংশই নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ বিএনপি’র নিরঙ্কুশ জয়ী হওয়ায় বাস্তহারা দলের শুভেচ্ছা গাইবান্ধা-৫ ঐতিহাসিক জয় জামায়াতের গাইবান্ধার ৫ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা: ৪টিতে জামায়াত, ১টিতে বিএনপির জয় ঠাকুরগাঁওয়ের ৩ টি সংসদীয় আসনে বিএনপির বিজয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে পরাজয়ের পরও উন্নয়নের অঙ্গীকার হারুনুর রশীদের

গাইবান্ধায় ২৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৪০ প্রার্থীর মধ্যে অধিকাংশই নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ

Reporter Name / ৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি আসনে অংশগ্রহণকারী মোট ৪০ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশ (৮ ভাগের ১ ভাগ) ভোট না পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই নিয়মেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনে বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে চূড়ান্ত ফলাফলে অধিকাংশ প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের কোটা পূরণ করতে ব্যর্থ হন।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ)

এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৫ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন—
হাতপাখা প্রতীকের রমজান আলী, কাঁচি প্রতীকের পরমানন্দ দাস, প্রজাপতি প্রতীকের কওছর আজম হান্নু, কলস প্রতীকের ছালমা আক্তার ও ঢেঁকি প্রতীকের মোস্তফা মহসিন।

গাইবান্ধা-২ (সদর)–
৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন
লাঙল প্রতীকের আব্দুর রশীদ সরকার, হাতপাখা প্রতীকের মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ, কলম প্রতীকের শাহেদুর জাহান, কাস্তে প্রতীকের মিহির কুমার ঘোষ ও কাঁচি প্রতীকের আহসানুল হাবীব সাঈদ।

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী)

১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন
লাঙল প্রতীকের মইনুর রাব্বী চৌধুরী, ট্রাক প্রতীকের সুরুজ মিয়া, হাতপাখা প্রতীকের এটিএম আওলাদ হোসাইন, কাস্তে প্রতীকের আব্দুল্লাহ আদিল, আপেল প্রতীকের মোছাদ্দিকুল ইসলাম, কলম প্রতীকের মনজুরুল হক, ঘোড়া প্রতীকের এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও ঢেঁকি প্রতীকের আজিজার রহমান।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ)

৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন–
লাঙল প্রতীকের কাজী মো. মশিউর রহমান, হাতপাখা প্রতীকের সৈয়দ তৌহিদুর রহমান তুহিন, কোদাল প্রতীকের আতোয়ারুল ইসলাম ও মোটরসাইকেল প্রতীকের আব্দুর রউফ আকন্দ।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা)

৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন
লাঙল প্রতীকের শামীম হায়দার পাটোয়ারী, হাতপাখা প্রতীকের আজিজুল ইসলাম, কাঁচি প্রতীকের রাহেলা খাতুন, কাস্তে প্রতীকের শ্রী নিরমল, ঘোড়া প্রতীকের মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ ও মোটরসাইকেল প্রতীকের এইচ এম গোলাম শহীদ রনজু।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন,
“নিয়ম অনুযায়ী প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবেই গাইবান্ধা জেলার ২৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।”

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আসনগুলোতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমিত কয়েকজন প্রার্থীর মধ্যে কেন্দ্রীভূত থাকায় অন্যান্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে জেলার অধিকাংশ আসনেই বড় সংখ্যায় জামানত হারানোর ঘটনা ঘটেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও ফলাফল ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category