রানা মিয়া
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি তারিখ-০৩-০৩-২৬
বগুড়া জেলা গাবতলী উপজেলায় কালাইহাটা গ্রামে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BMDA) কর্তৃক স্থাপিত একটি গভীর নলকূপের কমান্ড এরিয়ার ভেতরে অবৈধভাবে ডিজেল চালিত অগভীর নলকূপ স্থাপন এবং সেচ কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল মোমিন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই এলাকার সাধারণ কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সেচ সংকট দেখা দিয়েছে।স্থানীয় কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একটি গভীর নলকূপের নির্দিষ্ট কমান্ড এরিয়ার (সেচ এলাকা) মধ্যে অন্য কোনো সেচ যন্ত্র স্থাপন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু আব্দুল মোমিন ও আরিফুল সরকারি আইন অমান্য করে ওই এলাকার গভীর নলকূপের আওতাভুক্ত জমিতে মোমিন ৩ টি ও আরিফুল ১ টি মোট ৪ টি ডিজেল চালিত অগভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন।
শুধু তাই নয়, অভিযোগ রয়েছে যে আব্দুল মোমিন সহ আরো ২ জন গভীর নলকূপের পানি চলাচলের ড্রেন নালা বন্ধ করে দিয়েছেন। এর ফলে সাধারণ কৃষকদের জমিতে পানি পৌঁছাতে বিঘ্ন ঘটছে এবং চলমান চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, ড্রেন বন্ধ করে দেওয়ায় এবং অবৈধভাবে পানি উত্তোলন করায় গভীর নলকূপের পানির স্তর ও চাপ কমে যাচ্ছে। তারা বলেন:আমরা নিয়মিত সরকারি ফি দিয়ে পানি নিই, কিন্তু আব্দুল মোমিনের এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে আমাদের ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ড্রেন বন্ধ করায় আমরা সঠিক সময়ে পানি পাচ্ছি না।বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নীতিমালা অনুযায়ী, গভীর নলকূপের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ব্যক্তিগত নলকূপ স্থাপন অবৈধ। এ ধরনের কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে। স্থানীয়রা ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এই অবৈধ অগভীর নলকূপটি উচ্ছেদ এবং সেচ নালার প্রতিবন্ধকতা দূর করার দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, বিষয়টি তদন্ত করে আমরা সত্যতা পেয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং সেচ নালা সচল করার ব্যবস্থা নেওয়া জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখত আবেদন পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অপারেটর রফিকুল ইসলাম জানান তিনি সংস্কৃত বিষয়ে (ইউ এন ও) বরাবর অভিযোগ দায়ের করলেও এখন অব্দি কোন সমাধান পান নাই।থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কর্মকর্তা (এস.এই) হাবিব ঘটনাস্থলে এলে তদন্ত কর্মকর্তার সামনে বাদিকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি এবং মার মুখী আচরণ করে না।ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টি মীমাংসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।