নিজস্ব প্রতিবেদক:
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দীর্ঘ কয়েক বছর পর জনগণ আবার তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে—এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশবাসী ও সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন মো. আব্দুর রহিম।
তিনি দৈনিক বাংলার সংবাদ-এর স্টাফ রিপোর্টার এবং বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক ফোরাম-এর আজীবন সদস্য হিসেবে সারাদেশে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
এক বিবৃতিতে মো. আব্দুর রহিম বলেন,
ভোট হলো একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ। ভোটাধিকার নিশ্চিত করা মানেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা। বাংলাদেশের আপামর জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবশ্যই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সজাগ থাকতে হবে এবং মাননীয় নির্বাচন কমিশনের দিকনির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে, যেন ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন—
কোনো ভোটারকে যেন বিরক্ত করা না হয়, কোনো ধরনের চাপ বা জোর-জুলুম করা যাবে না। জনগণ তাদের নিজস্ব ইচ্ছানুযায়ী ভোট দেবেন—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন,
একজনের ভোট অন্য কেউ দিতে পারবে না
মৃত ব্যক্তির নামে কোনো ভোট গ্রহণ করা যাবে না
কোনো দলীয় কর্মী বা প্রার্থীর লোকজন ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না
এসব অনিয়ম প্রতিরোধ ও তদারকির জন্য সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন বলেও জানান তিনি।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মো. আব্দুর রহিম বলেন,
ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের অসৌজন্যমূলক বা খারাপ আচরণ করা যাবে না। সাংবাদিকরা নিরপেক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহ করবেন—এটি সবার মনে রাখতে হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন,
যদি কেউ নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।
সবশেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,
দেশবাসী, রাজনৈতিক দল, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সম্মিলিত দায়িত্বশীলতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি সুন্দর, গ্রহণযোগ্য ও গণতান্ত্রিক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে—এই প্রত্যাশাই রইল।