বিদ্যুৎ চন্দ্র বর্মন, নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশকে রক্ষা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে দেশপ্রেমিক চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে “দেশবন্ধু দেশপ্রেমিকের দল”। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, তারা কোনো বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না এবং “ডিভাইড অ্যান্ড রুল” নীতিকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়,
“আমরা জীবিত শহীদ। আমরা তৃতীয় শক্তি। আমরা বাংলাদেশ রেমিট্যান্স যোদ্ধা পরিবার”—এই আদর্শকে সামনে রেখে বিশ্বের ১৯৫টি দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে একটি শক্তিশালী, দেশপ্রেমিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হয়েছে।
সংগঠনটির বক্তব্যে বলা হয়, যারা অতীতের কোনো ইস্যু সামনে এনে রেমিট্যান্স যোদ্ধা পরিবারে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তারা সরাসরি দেশের উন্নয়নের শত্রু। এ ধরনের অপচেষ্টা দেশ ও জাতির স্বার্থবিরোধী বলেও উল্লেখ করা হয়।
রেমিট্যান্স যোদ্ধারাই দেশের অর্থনীতির নীরব নায়ক,
সংগঠনটি মনে করে, প্রবাসী শ্রমিক ও রেমিট্যান্স যোদ্ধারাই দেশের অর্থনীতির প্রকৃত চালিকাশক্তি। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সেই দেশের উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিল্প ও বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হচ্ছে।
“আমরাই দেশের হিরো ও হিরোইন”—এই আত্মমর্যাদাবোধ থেকেই সংগঠনটি দেশের পক্ষে কথা বলে যাচ্ছে।
নেতৃত্বের কণ্ঠে ঐক্যের বার্তা,
সংগঠনের পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এম এ রউফ বলেন,
“আমি আপনাদেরই একজন যোদ্ধা ভাই। আমি সাবেক ইউরোপ রেমিট্যান্স যোদ্ধা, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের কাতার প্রবাসী। আমরা সবাই এক পরিবার। আমাদের শক্তি আমাদের ঐক্যে।”
তিনি আরও বলেন,
“আমরা চাঁদামুক্ত সংগঠন। স্বচ্ছতা, দেশপ্রেম ও মানবিকতার ভিত্তিতেই আমাদের পথচলা। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়—বাংলাদেশই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।”
বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা,
সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশ্বের যেখানেই বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধারা অবস্থান করছেন, তাদের সবার জন্য নিরাপত্তা, সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়।
দূরদর্শী পরিকল্পনা, সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য
দেশবন্ধু দেশপ্রেমিকের দল জানায়, রেমিট্যান্স যোদ্ধা পরিবারকে কেন্দ্র করে তাদের পরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী। ভৌগোলিক দূরত্ব যতই হোক—১৯৫টি দেশের প্রবাসীরা এক আদর্শে, এক পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন—এটাই তাদের দৃঢ় প্রত্যয়।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, বিভেদ নয়—ঐক্যই হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের শক্তি।