বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
Headline :
ইতিহাস সাক্ষী প্রমাণ দিলাম। ও মিয়া সাব আপনি কি ভুলে গেছেন?? আমতলীতে দুই দিনে ১৫৩ যানবাহন তল্লাশি, ট্রাফিক আইনে ২২ মামলা বায়েজিদে ছুরিকাঘাতে আহত পথচারী, গুলির দাবি নাকচ পুলিশের লালমনিরহাটে ছাত্রলীগ নেতা নারায়ণ চন্দ্র রায় আবারো গ্রে/প্তার লালমনিরহাটে গৃহবধূ শিলা হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্বামী গ্রেপ্তার। আদিতমারীতে দেশীয় অস্ত্র তৈরিতে রাজি না হওয়ায় কামারকে মারধরের অভিযোগ, আদালতে মামলা। নীলফামারীতে অনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে বিরোধ: যুবকের মারধরে মৃত্যু, গ্রেপ্তার ২ সৌদি আরবে চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, দাউদকান্দির শাহাদাতের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ। ব্যবসায়িক পাওনা চাইতে গেলে দৈনিক বাংলার আকাশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদককে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি শাহরাস্তিতে ক্লাস না নেওয়া ও অনুপস্থিতির অভিযোগে ৪ শিক্ষককে শোকজ

নীলফামারীতে অনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে বিরোধ: যুবকের মারধরে মৃত্যু, গ্রেপ্তার ২

Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

নীলফামারীতে অনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে বিরোধ: যুবকের মারধরে মৃত্যু, গ্রেপ্তার ২

আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় অনৈতিক কার্যকলাপ বা পতিতাবৃত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সৃষ্ট মারধরের ঘটনায় শ্যামল শর্মা (৩৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

​মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, সোমবার রাতে উপজেলার নীলাহাটি শ্মশানঘাট এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

​নিহত শ্যামল শর্মা ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের শুসেন শীলের ছেলে।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—রাজশাহী জেলার রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত রমজান আলীর স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৩০) এবং ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের শালমারা শেওটগাড়ী এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে আব্দুর রশীদ (৪৫)।

​স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ওই এলাকায় পতিতাবৃত্তি পরিচালনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। তাদের অভিযোগ, বিভিন্ন স্থান থেকে নারীদের এনে সেখানে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

​নিহতের ভাই কৃষ্ণ শর্মা জানান, সোমবার রাতে শ্যামল ও হাফিজ নামের দুই ব্যক্তি তার বড় ভাই শ্যামল শর্মাকে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে নীলাহাটি শ্মশানঘাটে ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছানোর পর কয়েকজনের সঙ্গে তার ভাইয়ের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আব্দুর রশীদ, শ্যামল, হাফিজ ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজন মিলে তাকে বেদম মারধর করেন।

​কৃষ্ণ শর্মা আরও জানান, মারধরের একপর্যায়ে তার ভাই অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে শাহজাহান নামের এক ব্যক্তির মোবাইল ফোন থেকে তাদের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্যামল শর্মার নাভির নিচে গুরুতর রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম সরকার জানান, এ ঘটনায় নিহতের ভাই কৃষ্ণ শর্মা বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে এজাহারনামীয় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


More News Of This Category