রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
Headline :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমি দখলের অভিযোগে এলাকাবাসীর মানববন্ধন যে কোন সময় সংঘর্ষে আশঙ্কা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমি দখলের অভিযোগে এলাকাবাসীর মানববন্ধন যে কোন সময় সংঘর্ষে আশঙ্কা আলো ছড়ানো শিক্ষকেরা পানছড়িতে ১১ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, ড্রোনসহ চার স্তরের নিরাপত্তা দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: অপরাধের বিচার, নাকি ন্যায়বিচার নিয়েই প্রশ্ন? অফিসে নয়, পরিচ্ছন্ন মোহনগঞ্জ গড়তে মাঠে ইউএনও আমেনা খাতুন,, বীরগঞ্জে মাদকবিরোধী গণসমাবেশ: মাদক নির্মূলে কঠোর হুঁশিয়ারি এমপি মনজুরুল ইসলামের বীরগঞ্জে মাদকবিরোধী গণসমাবেশ: মাদক নির্মূলে কঠোর হুঁশিয়ারি এমপি মনজুরুল ইসলামের সাঘাটায় শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়ারেছ ধর্মের মহিমা মানবতার মুক্তিতে, নির্যাতনে নয়

ধর্মের মহিমা মানবতার মুক্তিতে, নির্যাতনে নয়

Update : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

ধর্মের মহিমা মানবতার মুক্তিতে, নির্যাতনে নয়
পবিত্র কোরআন ও হাদিসের শিক্ষা: শিশু সুরক্ষা, ন্যায়বিচার ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব

মোঃ রুহুল আমিন :

একটি শিশুর কান্না কোনো ধর্মের মর্যাদা বাড়ায় না; বরং সেই কান্না থামানোর দায়িত্ব পালন করাই মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রকৃত পরীক্ষা। যে ধর্ম মানুষকে সত্য, ন্যায়, দয়া ও কল্যাণের শিক্ষা দেয়, সেই ধর্মের নাম ব্যবহার করে যদি কেউ শিশু নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন কিংবা সহিংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তবে বিষয়টি শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়—এটি বিবেক, মানবতা ও ধর্মীয় আদর্শেরও প্রশ্ন। তাই ধর্মের পবিত্রতাকে রক্ষা করতে হলে ধর্মের নামের আড়ালে সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে, আবার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও নিশ্চিত করতে হবে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার।

ইসলাম মানবজাতির জন্য শান্তি, ন্যায়, দয়া ও কল্যাণের শিক্ষা বহন করে। পবিত্র কোরআন ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শে মানুষের মর্যাদা, দুর্বলের অধিকার, অসহায়ের প্রতি সহমর্মিতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থানের গুরুত্ব সুস্পষ্ট। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, কখনো কখনো ধর্মীয় পরিচয় ও সামাজিক প্রভাবকে ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি নিজেদের অন্যায়ের জবাবদিহি এড়ানোর চেষ্টা করেন। এমন প্রবণতা ধর্মীয় শিক্ষার উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং সাধারণ মানুষের মনে অবিশ্বাস সৃষ্টি করে।

ইসলামের শিক্ষা: মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও দয়া
পবিত্র কোরআনের সূরা আল-আম্বিয়ার ১০৭ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে সমগ্র জগতের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণের কথা বলেছেন। এই শিক্ষা ইসলামের মানবিক আবেদন ও কল্যাণমুখী আদর্শকে তুলে ধরে। ইসলাম কেবল আনুষ্ঠানিক ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের সঙ্গে আচরণ, অধিকার রক্ষা, ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং অন্যের প্রতি দায়িত্ব পালনের মধ্যেও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রকাশ ঘটে।

সূরা আন-নিসার ১৩৫ নম্বর আয়াতে ন্যায়বিচারে দৃঢ় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এমনকি তা নিজের, পিতা-মাতা কিংবা নিকটাত্মীয়ের বিরুদ্ধে গেলেও। অর্থাৎ ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সামাজিক অবস্থান কিংবা প্রভাবের কারণে ন্যায়বিচার থেকে সরে আসার সুযোগ নেই। এই নীতি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য।

একইভাবে, সূরা আল-মায়েদার ৮ নম্বর আয়াতে কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ যেন ন্যায়বিচার থেকে বিচ্যুত না করে, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এ শিক্ষা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—অপরাধের বিচার করতে হবে প্রমাণ ও আইনের ভিত্তিতে; কোনো ধর্মীয় পরিচয়, সম্প্রদায় কিংবা গোষ্ঠীর প্রতি সামগ্রিক বিদ্বেষ থেকে নয়।

শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা ধর্মীয় আদর্শের পরিপন্থী :

শিশুরা সমাজের সবচেয়ে নির্ভরশীল ও সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তাসম্পন্ন সদস্যদের অন্যতম। তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করা পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত দায়িত্ব। কোনো শিশু শিক্ষকের হাতে নির্যাতিত হলে, যৌন নিপীড়নের শিকার হলে কিংবা ভয়ভীতি ও অপমানের পরিবেশে বেড়ে উঠলে তার শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক বিকাশও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

মহা নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শিশুদের প্রতি স্নেহ ও কোমল আচরণের শিক্ষা দিয়েছেন। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে বর্ণিত হাদিসে শিশুদের প্রতি দয়া প্রদর্শনের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষার পরিবেশে এই শিক্ষা বিশেষভাবে অনুসরণীয়। কারণ শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না; তিনি শিক্ষার্থীর নৈতিকতা, আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

সুতরাং ধর্মীয় শিক্ষার নামে শিশুদের ওপর নির্যাতন, অপমান কিংবা যৌন নিপীড়নকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যায় না। কোনো ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয়, পোশাক, পদমর্যাদা কিংবা জনপ্রিয়তা তাকে আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দিতে পারে না। অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করতে হবে, শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে।

ধর্মের নাম ব্যবহার করলেই কেউ ধর্মের প্রতিনিধি হয়ে যান না :

একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য মনে রাখা প্রয়োজন—কোনো ব্যক্তির অপরাধ দিয়ে পুরো ধর্ম, ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা কিংবা সব ধর্মীয় শিক্ষককে বিচার করা ন্যায়সংগত নয়। বাংলাদেশের বহু মাদ্রাসা ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবসেবায় ভূমিকা রাখছে। অসংখ্য ধর্মীয় শিক্ষক নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছেন। তাঁদের অবদানকে অস্বীকার করা যেমন অন্যায়, তেমনি কোনো অপরাধীকে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে দায়মুক্তি দেওয়াও অন্যায়।

ইসলামের নামে উগ্রবাদ, সন্ত্রাস কিংবা মানুষের প্রতি নিষ্ঠুরতা ছড়ানোর অভিযোগ উঠলে সেটিও একই নীতিতে বিচার করতে হবে। বক্তব্য, প্রচার কিংবা কর্মকাণ্ডের প্রকৃত অর্থ ও প্রেক্ষাপট যাচাই না করে কাউকে উগ্রবাদী আখ্যা দেওয়া উচিত নয়। আবার সহিংসতায় উসকানি বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে ধর্মীয় পরিচয়ের অজুহাতে তা উপেক্ষা করাও চলবে না।

ধর্মের মর্যাদা রক্ষার অর্থ অপরাধ আড়াল করা নয়; বরং ধর্মের ন্যায়, সত্য ও মানবিকতার শিক্ষাকে বাস্তবে প্রতিষ্ঠা করা।

রাষ্ট্রের দায়িত্ব: তদারকি, সুরক্ষা ও জবাবদিহি
শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিবন্ধন, অনুমোদন, নিরাপত্তা ও শিশু সুরক্ষাসংক্রান্ত বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন।

শিশু নির্যাতন কিংবা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠলে ভুক্তভোগীকে দোষারোপ না করে তার নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। অভিযোগকারী শিশু ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি, সামাজিক চাপ ও প্রতিশোধের আশঙ্কা থেকে সুরক্ষা দিতে হবে। শিশুর পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্যও গোপন রাখতে হবে।

একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা, শিক্ষক ও কর্মীদের উপযুক্ত যাচাই, শিশুদের সঙ্গে আচরণবিধি এবং নিয়মিত পরিদর্শনের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন অনিয়ম চলার পরও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসনিক জবাবদিহিও নিশ্চিত করা জরুরি।

তবে রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ হতে হবে আইনসম্মত, তথ্যভিত্তিক ও বৈষম্যহীন। শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী ঘোষণা করা যাবে না; আবার প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বলে তদন্ত থামিয়েও রাখা যাবে না। ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত সিদ্ধান্ত—সবই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ধর্মীয় শিক্ষার মর্যাদা রক্ষায় প্রয়োজন আত্মশুদ্ধি :

ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব শুধু ধর্মীয় বিধান শেখানো নয়; শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা, শৃঙ্খলা ও মানুষের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলাও তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যে শিক্ষায় শিশু ভয় পায়, অপমানিত হয় কিংবা নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকে, সেই পরিবেশকে আদর্শ শিক্ষার পরিবেশ বলা যায় না।

ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের উচিত শিশুদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা গোপন করার পরিবর্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং তদন্তে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। অপরাধীকে আড়াল করার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে কোনো প্রতিষ্ঠানই প্রকৃত অর্থে নিরাপদ হয়ে উঠবে না।

ইসলামের শিক্ষা অনুসারে ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার রক্ষা কেবল অন্যের কাছে প্রত্যাশা করার বিষয় নয়; নিজের আচরণেও তা অনুসরণ করতে হয়। তাই ধর্মের নামে অন্যায় সংঘটিত হলে প্রতিবাদ করা ধর্মবিদ্বেষ নয়। বরং সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে অবস্থান নেওয়াই ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি দায়িত্বশীলতার পরিচয়।

এখন প্রয়োজন দৃশ্যমান পদক্ষেপ কোন জনপ্রিয় উক্তি নয় :

শিশুদের নিরাপত্তা কোনো দল, মত কিংবা ধর্মীয় পরিচয়ের বিষয় নয়; এটি মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের প্রশ্ন। একটি শিশুও যেন নির্যাতনের শিকার হয়ে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়—এমন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হওয়া উচিত আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য।

সরকারের প্রতি আহ্বান, শিশু সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করুন। ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত তদারকি জোরদার করুন। নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন কিংবা সহিংসতার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করুন। অপরাধ প্রমাণিত হলে পরিচয় ও প্রভাব নির্বিশেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন। একই সঙ্গে নিরপরাধ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান যেন অন্যায়ভাবে সামাজিক বিদ্বেষের শিকার না হয়, সেটিও নিশ্চিত করুন।

আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে মসজিদ, মাদ্রাসা, বিদ্যালয় কিংবা অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—কোথাও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের আতঙ্কিত হতে হবে না। যেখানে ধর্মীয় শিক্ষক সম্মানিত হবেন তাঁর জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিকতার জন্য; আর কেউ ধর্মের নাম ব্যবহার করে অপরাধ করলে তাঁকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।

ইসলামকে ভালোবাসার অর্থ ইসলামের মানবিক শিক্ষা ধারণ করা। ধর্মের মর্যাদা রক্ষার অর্থ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। আর রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনের অর্থ কেবল আশ্বাস দেওয়া নয়, বরং কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করা।

ধর্মের নামে নির্যাতন নয়, প্রতিষ্ঠিত হোক ন্যায় ও মানবিকতা। পরিচয়ের কারণে দায়মুক্তি নয়, অপরাধের ভিত্তিতে বিচার হোক। আর প্রতিটি শিশুর জন্য নিশ্চিত হোক নিরাপদ শৈশব, মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা ও নির্ভয়ে বেড়ে ওঠার অধিকার।

লেখক পরিচিতি: মোঃ রুহুল আমিন
শিক্ষক, গণমাধ্যম ও মানবাধিকারকর্মী
ই-মেইল: aminruhul8660@gmail.com


More News Of This Category