সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
Headline :
সরাইলে মহাসড়কে হঠাৎ ব্রেক কষায় কাভার্ডভ্যানে ট্রাকের ধাক্কায় চালক আহত, কন্যাশিশুর অধিকার সংবিধান ও সনদে স্বীকৃত, বাস্তবে কতটা সুরক্ষিত? আদিতমারীতে পার্কে আপত্তিকর অবস্থায় তরুণ-তরুণী আটক, চলছে বিয়ের আলোচনা। দৈনিক বাংলার সংবাদ কবিতা: সত্যের পথে, মানুষের পাশে চিলমারীতে “সরকারি শিক্ষা কর্মকর্তাদের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে, অ্যাডভোকেসি সভা” অনুষ্ঠিত শাহরাস্তিতে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সভা, অংশ নেন ৪০০ মানুষ মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান খুলনায় জনি নামে এক যু”বককে গু”লি. হিলিতে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা বাড়ল পেঁয়াজের দাম হিলিতে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা বাড়ল পেঁয়াজের দাম দিনাজপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার

হিলিতে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা বাড়ল পেঁয়াজের দাম

Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

হিলিতে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা বাড়ল পেঁয়াজের দাম

আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার
০১৭১৭৭৭৬৯৭২

​নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতার মধ্যে দিনাজপুরের হিলিতে নতুন করে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি। মাত্র এক থেকে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারটিতে প্রকারভেদে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। এর ফলে নিত্যপণ্যের সার্বিক ঊর্ধ্বগতির বাজারে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ ও দিনমজুর শ্রমে নিয়োজিত পরিবারগুলো।

​রোববার (১১ অক্টোবর) হিলির স্থানীয় খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি দোকানে পর্যাপ্ত পেঁয়াজের মজুদ থাকলেও পাইকারি বাজারে সরবরাহ কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৫ টাকায় পাওয়া গেলেও বর্তমানে কিছুটা নিম্নমানের পেঁয়াজ ৪০ টাকা এবং ভালো মানের পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। হঠাৎ করে অল্প সময়ের ব্যবধানে এই দরবৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতাদের অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে।

​বাজারে কেনাকাটা করতে আসা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে গেছে। যে পেঁয়াজ আগে ৩৫ টাকায় কিনেছি, এখন তা ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এ অঞ্চলের সিংহভাগ মানুষই শ্রমজীবী। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কম থাকলে সংসার চালানো সহজ হয়, কিন্তু এভাবে দাম বাড়লে বাধ্য হয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী কম কিনতে হচ্ছে।”

​একই বাজারের আরেক ক্রেতা রব্বানী তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা দিন আনি দিন খাই। গত সপ্তাহেও ৩৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছি, আর আজ তা বেড়ে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা হয়ে গেছে। সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম যেভাবে দিন দিন বাড়ছে, তাতে সাধারণ মানুষের পক্ষে সংসার সামলানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে।”

​দাম বাড়ার কারণ হিসেবে খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা রেজাউল ইসলাম জানান, “গত সপ্তাহেও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করেছি। তবে বর্তমানে পাইকারি বাজার থেকেই আমাদের ৪০ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে, যার কারণে খুচরায় ৪৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে বৈরী আবহাওয়া ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে কৃষকেরা বাজারে পেঁয়াজ কম আনছেন। এতে সার্বিক সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে দামের ওপর।”

​এদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত তদারকির কথা জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন জানান, “কোনো অসধ ব্যবসায়ী যাতে পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম আদায় করতে না পারে, সে লক্ষ্যে আমরা কঠোর নজরদারি জোরদার করেছি। বিভিন্ন হাটবাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্যাশমেমো যাচাই করা হচ্ছে। কোনো অসংগতি বা বেশি দামে বিক্রির প্রমাণ পেলে আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হচ্ছে।”

​জনস্বার্থে এবং বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


More News Of This Category