কামরাঙ্গীরচরে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জশনে জুলুছ ধর্মীয় র্যালি
কামরাঙ্গীরচরে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জশনে জুলুছ ধর্মীয় র্যালি
নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ আনোয়ার হোসেন
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে জশনে জুলুছ ও ধর্মীয় র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১১টা ১০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন কুড়ারঘাট হাসপাতাল রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশ গাউছিয়া কমিটি কামরাঙ্গীরচর থানা শাখার উদ্যোগে এ র্যালি শুরু হয়। এতে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জন ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও গাউছিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ গাউছিয়া কমিটি কামরাঙ্গীরচর থানার সভাপতি সি ও এফ মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির উপদেষ্টা মোহাম্মাদ মনু ভূঁইয়া ও মোঃ জুনায়েদ কাগরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুজ্জামান তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ হোসেনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও কামরাঙ্গীরচর ও হাজারীবাগ থানা এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা র্যালিতে অংশ নেন।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় গজল, হামদ-নাত ও কেরাত পাঠ করেন। ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড এবং সবুজ রঙের চাঁদ-তারা খচিত পতাকায় র্যালিটি সজ্জিত করা হয়।
র্যালিটি কুড়ারঘাট হাসপাতাল মাঠ সংলগ্ন সড়ক থেকে শুরু হয়ে দুরানি ব্রিজ, নবাবগঞ্জ পার্ক, বড় মসজিদ রোড হয়ে সাত শহীদ কমিটি সেন্টারে পৌঁছায়। সেখানে লালবাগ গাউছিয়া কমিটির জশনে জুলুছ র্যালির সঙ্গে একত্রিত হয়। পরে র্যালিটি আজিমপুর শাহ দরবার জামে মসজিদে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে মিলাদ, দোয়া মাহফিল, তবারক বিতরণ ও মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হবে।
র্যালিটি কুড়ারঘাট হাসপাতাল রোড → দুরানি ব্রিজ → নবাবগঞ্জ পার্ক → বড় মসজিদ রোড → সাত শহীদ কমিটি সেন্টার → আজিমপুর শাহ দরবার জামে মসজিদ এলাকায় প্রদক্ষিণ করে।
কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পোশাকধারী প্রায় ১০-১২ জন পুলিশ সদস্যসহ প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
র্যালি চলাকালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে কর্মসূচি চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ আনোয়ার হোসেন
পবিত্রকামরাঙ্গীরচরে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জশনে জুলুছ ধর্মীয় র্যালি
নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ আনোয়ার হোসেন
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে জশনে জুলুছ ও ধর্মীয় র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১১টা ১০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন কুড়ারঘাট হাসপাতাল রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশ গাউছিয়া কমিটি কামরাঙ্গীরচর থানা শাখার উদ্যোগে এ র্যালি শুরু হয়। এতে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জন ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও গাউছিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ গাউছিয়া কমিটি কামরাঙ্গীরচর থানার সভাপতি সি ও এফ মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির উপদেষ্টা মোহাম্মাদ মনু ভূঁইয়া ও মোঃ জুনায়েদ কাগরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুজ্জামান তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ হোসেনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও কামরাঙ্গীরচর ও হাজারীবাগ থানা এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা র্যালিতে অংশ নেন।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় গজল, হামদ-নাত ও কেরাত পাঠ করেন। ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড এবং সবুজ রঙের চাঁদ-তারা খচিত পতাকায় র্যালিটি সজ্জিত করা হয়।
র্যালিটি কুড়ারঘাট হাসপাতাল মাঠ সংলগ্ন সড়ক থেকে শুরু হয়ে দুরানি ব্রিজ, নবাবগঞ্জ পার্ক, বড় মসজিদ রোড হয়ে সাত শহীদ কমিটি সেন্টারে পৌঁছায়। সেখানে লালবাগ গাউছিয়া কমিটির জশনে জুলুছ র্যালির সঙ্গে একত্রিত হয়। পরে র্যালিটি আজিমপুর শাহ দরবার জামে মসজিদে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে মিলাদ, দোয়া মাহফিল, তবারক বিতরণ ও মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হবে।
র্যালিটি কুড়ারঘাট হাসপাতাল রোড → দুরানি ব্রিজ → নবাবগঞ্জ পার্ক → বড় মসজিদ রোড → সাত শহীদ কমিটি সেন্টার → আজিমপুর শাহ দরবার জামে মসজিদ এলাকায় প্রদক্ষিণ করে।
কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পোশাকধারী প্রায় ১০-১২ জন পুলিশ সদস্যসহ প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
র্যালি চলাকালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে কর্মসূচি চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে জশনে জুলুছ ও ধর্মীয় র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১১টা ১০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন কুড়ারঘাট হাসপাতাল রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশ গাউছিয়া কমিটি কামরাঙ্গীরচর থানা শাখার উদ্যোগে এ র্যালি শুরু হয়। এতে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জন ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও গাউছিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ গাউছিয়া কমিটি কামরাঙ্গীরচর থানার সভাপতি সি ও এফ মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির উপদেষ্টা মোহাম্মাদ মনু ভূঁইয়া ও মোঃ জুনায়েদ কাগরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুজ্জামান তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ হোসেনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও কামরাঙ্গীরচর ও হাজারীবাগ থানা এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা র্যালিতে অংশ নেন।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় গজল, হামদ-নাত ও কেরাত পাঠ করেন। ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড এবং সবুজ রঙের চাঁদ-তারা খচিত পতাকায় র্যালিটি সজ্জিত করা হয়।
র্যালিটি কুড়ারঘাট হাসপাতাল মাঠ সংলগ্ন সড়ক থেকে শুরু হয়ে দুরানি ব্রিজ, নবাবগঞ্জ পার্ক, বড় মসজিদ রোড হয়ে সাত শহীদ কমিটি সেন্টারে পৌঁছায়। সেখানে লালবাগ গাউছিয়া কমিটির জশনে জুলুছ র্যালির সঙ্গে একত্রিত হয়। পরে র্যালিটি আজিমপুর শাহ দরবার জামে মসজিদে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে মিলাদ, দোয়া মাহফিল, তবারক বিতরণ ও মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হবে।
র্যালিটি কুড়ারঘাট হাসপাতাল রোড → দুরানি ব্রিজ → নবাবগঞ্জ পার্ক → বড় মসজিদ রোড → সাত শহীদ কমিটি সেন্টার → আজিমপুর শাহ দরবার জামে মসজিদ এলাকায় প্রদক্ষিণ করে।
কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পোশাকধারী প্রায় ১০-১২ জন পুলিশ সদস্যসহ প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
র্যালি চলাকালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে কর্মসূচি চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।