সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
Headline :
লিচু দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, বখাটে যুবক গ্রেফতার। যেসব কারণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের মান-মর্যাদা। রংপুর জেলা পুলিশের ডিবি’র অভিযানে মিঠাপুকুরে ৫৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ (এক) জন মাদক কারবারি আটক রুবিওর দিল্লি সফরে ট্রাম্পের ফোন: ‘ভারত যা চায় তাই পাবে’ — বাংলাদেশ ইস্যুতে কী বোঝাপড়া? মুজিব বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও দালিলিক প্রমান। প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ জিয়ার হ্যাঁ/না ভোটরঙ্গ : ভোটারদের অভিজ্ঞতার আলোকে ভারতে চামড়া পাচার রোধে হিলি সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার। আমতলীতে ৬৯৯ পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ।

পুলিশ সদস্য হত্যা মামলায় জামায়াত-বিএনপির ৩৫৩ জন বেকসুর খালাস

Update : সোমবার, ২ জুন, ২০২৫
ঝিনাইদহের

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার পুলিশ কনস্টেবল জিএম ওমর ফারুক হত্যা মামলায় জামায়াত-বিএনপির ৩৫৩ জন আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মাহবুব আলম এই রায় প্রদান করেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী আন্দোলন করতে গেলে পুলিশ তাদের উপর নির্বিচারে গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এ সময় জনতার গণপিটুনিতে পুলিশ সদস্য জিএম ওমর ফারুক নিহত হন। ওই ঘটনায় ২০১৩ সালের ৩ মার্চ হরিনাকুন্ডু থানার এসআই হামিদুল ইসলাম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জামায়াত-বিএনপির ২২০ জনের নাম উল্লেখ করে চার থেকে পাঁচ হাজার অজ্ঞাত আসামির নামে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

মামলায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা মো: মোতাহার হোসেন, উপজেলা জামায়তের আমির মো: আলাউদ্দীন মণ্ডল, সেক্রেটারি মো: ইদ্রিস আলী, বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন, আজিজুর রহমানসহ শত শত নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারের পাশাপাশি চলে পুলিশের অর্থ বাণিজ্য।

২০১৪ সালের ২৫ মার্চ পুলিশ ৩৫৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। এ মামলায় সর্বমোট ৯৭ জনকে সাক্ষী হিসেবে দেখান হয়। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক সকল আসামিকে খালাস প্রদান করেন।

সরকার পক্ষে অতিরিক্ত পিপি আকিদুল ইসলাম ও আসামী পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুর রশীদ বিশ্বাস মামলাটি পরিচালনা করেন।


More News Of This Category