কুড়িগ্রামে সপ্তাহজুড়ে লোডশেডিং: গ্রিড লাইনে উন্নয়নকাজ শুরু
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
২৬ জুলাই, ২০২৬
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর আওতাধীন ‘পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেন্থেনিং (জিটুজি)’ প্রকল্পের আওতায় সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এ কারণে রংপুর-কুড়িগ্রাম, রংপুর-লালমনিরহাট এবং রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে পর্যায়ক্রমে শাটডাউন দেওয়া হবে। এর ফলে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) ও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা সাময়িক আংশিক লোডশেডিংয়ের মুখে পড়তে পারেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) পিজিসিবির প্রকল্প পরিচালক (প্রধান প্রকৌশলী) মো. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরে রবিবার (২৬ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেসকো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম।
২৭ জুলাই (সোমবার): রংপুর ২৩০/১৩২ কেভি জিআইএস গ্রিড উপকেন্দ্রের নির্মাণকাজ নিরাপদ ও দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে সকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত (মোট ১৫ ঘণ্টা) রংপুর-লালমনিরহাট ১৩২ কেভি এবং রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সার্কিট-১ সঞ্চালন লাইন শাটডাউন থাকবে। ২৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট: রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন শাটডাউনে থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শাটডাউনের কারণে সংশ্লিষ্ট ৩৩ কেভি ফিডারগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। তবে যেখানে বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ রয়েছে, সেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
এ বিষয়ে নেসকো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, “সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজের জন্য জেলায় টানা এক সপ্তাহ আংশিক লোডশেডিং হতে পারে। নেসকো এবং পল্লী বিদ্যুৎ—উভয় কর্তৃপক্ষের গ্রাহকরাই এর আওতায় পড়বেন। কাজ শেষ হলে আগামী ৫ আগস্টের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।”