কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন পোমগাও দক্ষিণ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। সরে জমিনে ও স্থানীয় সুএে জানা যায়, পোমগাও গ্রামের দেলোয়ার হোসেন এর ছেলে মোঃ সুজন মিয়া বাবার নিজ ঘরে আগুন দেন।
ঘটনার দিন ভোর বেলায় হঠাৎ বাড়ির আশেপাশের লোকজন দেলোয়ার মিয়ার ঘরে আগুন দেখতে পান, মহর্তের মধ্যেই আগুনে পুরো ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দেলোয়ার হোসেন ও তার পরিবার ঐ দিন ঘরেছিল না। বসতঘর পুড়ে ছাই হওয়ার পর লোকমারফত শুনতে পেরে দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে আসেন।
মাদকসেবি সুজন এর পূর্বে মাদক ও চুরিজনিত কারনে ৪/৫ মাস জেলে ছিল। আগুনের ঘটনার আগের দিন সে জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়িতে এসে ঘটনা ঘটায়।
এ বিষয়ে জানতে চাহিলে আমাদের প্রতিনিধি তিনি জানান-আমার ছেলে দীর্ঘদিন মাদক, গাজা ও চুরিচামারি করে আসছে , তাকে বার বার ভালো হওয়ার কথা বললে সে আমার কথার কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না, এমতাবস্থায় আমি নিরুপায় হয়ে পড়ি,তার কৃতকর্মের জন্য পুলিশ তাকে গ্রেফতার জেলহাজতে পাঠায়।আমি তাকে জামিনে না আনায় সুুজন আমার বসতঘরে আগুন লাগিয়ে আমার সব শেষ করে দিয়াছে এখন আমার আর থাকার ঘর রহিল না। আমি ছেলের এমন ঘটনা ঘটানোর জন্য সুষ্ঠু বিচার চাই এবং আমার বসত করার জন্য সকলের সহযোগিতা চাই। মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহমুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবুল বাসার পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া বসতঘর দেখতে যান এবং ঘরের মালিক দেলোয়ার হোসেন এর খোঁজ খবর নেন এবং তাকে সান্ত্বনা দেন। মাদকের বিরুদ্ধে জনগনকে রুখে দাঁড়ানোর জন্য আহবান জানান, ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোজাম্মেল হক পিন্টুর নিকট জানতে চাহিলে তিনি বলেন- মাদকসেবি সুজনের অত্যাচারে আমাদের এলাকা জনগন অতিষ্ঠ, সে চুরিচামারি ও মাদক সেবন করে, আমাদের সমাজের ইয়ং জেনারেশনকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সে কত জগন্যতম খারাপ হলে সে তার বাবার ঘরে আগুন দিয়ে তার বসত ঘরপুড়ে ছাই করে দিয়াছে। এহেন ঘটনা গুলোর জন্য আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।