রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
Headline :
সাংবাদিককে হত্যা হুমকির ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার সাঘাটায় করতোয়া প্রতিনিধি জয়নুল আবেদীনকে সম্প্রতি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ্র বিরুদ্ধে তদন্ত করতে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন— গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম ও পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. রাবেয়া বেগম। সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় ঐ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় একটি জেনারেল ডায়েরী (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকির একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হলে স্থানীয় সাংবাদিক মহল সহ বিভিন্ন সচেতন মহল বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। পরে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এ নিয়ে খবর প্রকাশ হলে প্রথমে জেলা ও পরে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিষয়টি নজরে আসে। এরই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তর। এমনটি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শ্রী লহ্মণ কুমার দাস। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহীন আলম’র বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ ও বিদ্যালয়ের অনুপস্থিতির অভিযোগ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বৈত ভর্তি সহ নানাবিধ অনিয়মের বিষয়ে তথ্যাদি সাংবাদিকের হাতে এলে দৈনিক করতোয়া সাংবাদিক জয়নুল আবেদন ঐসব অনিয়মের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে সাঘাটা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহেশ শাফীকে মুঠোফোনে খুদে বার্তায় আহ্বান জানান। বিষয়টি ঐ প্রধান শিক্ষক জানতে পারায় গত ২৭ এপ্রিল সোমবার বিকেলে ক্ষীপ্ত হয়ে সাংবাদিক জয়নুল আবেদীনকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।

Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভুয়া এএসপি পরিচয়দানকারী প্রতারক আটক

গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বিশেষ প্রতিনিধি

অবশেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি পেট্রোল পাম্পে নিজেকে এএসপি পরিচয়দানকারী যুবককে আটক করছে পুলিশ। শনিবার (২ মে) দুপুরে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকা থেকে ভুয়া ওই এএসপিকে আটক করা হয়।

আটক যুবক জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের ওপরটোলা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাওলানা ইসারুলের ছেলে অলিউল্লাহ।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলার ধোপপুকুর এলাকায় অবস্থিত ‘রাকিব এন্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশন’-এ অলিউল্লাহ নিজেকে অ্যাডিশনাল এসপি পরিচয় দিয়ে কর্মচারীদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তিনি জনরোষের মুখে পড়েন।

এদিকে ঘটনাটি জানাজানির পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করলে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করে। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ভুয়া এএসপি অলিউল্লাহকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে এএসপি পরিচয় দিয়ে পেট্রোল পাম্পে গিয়ে কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তার পরিচয় যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি কোনো অ্যাডিশনাল এসপি নন। পরে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রাজশাহী থেকে তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


More News Of This Category

সাংবাদিককে হত্যা হুমকির ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার সাঘাটায় করতোয়া প্রতিনিধি জয়নুল আবেদীনকে সম্প্রতি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ্র বিরুদ্ধে তদন্ত করতে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন— গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম ও পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. রাবেয়া বেগম। সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় ঐ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় একটি জেনারেল ডায়েরী (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকির একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হলে স্থানীয় সাংবাদিক মহল সহ বিভিন্ন সচেতন মহল বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। পরে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এ নিয়ে খবর প্রকাশ হলে প্রথমে জেলা ও পরে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিষয়টি নজরে আসে। এরই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তর। এমনটি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শ্রী লহ্মণ কুমার দাস। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহীন আলম’র বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ ও বিদ্যালয়ের অনুপস্থিতির অভিযোগ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বৈত ভর্তি সহ নানাবিধ অনিয়মের বিষয়ে তথ্যাদি সাংবাদিকের হাতে এলে দৈনিক করতোয়া সাংবাদিক জয়নুল আবেদন ঐসব অনিয়মের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে সাঘাটা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহেশ শাফীকে মুঠোফোনে খুদে বার্তায় আহ্বান জানান। বিষয়টি ঐ প্রধান শিক্ষক জানতে পারায় গত ২৭ এপ্রিল সোমবার বিকেলে ক্ষীপ্ত হয়ে সাংবাদিক জয়নুল আবেদীনকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।