রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
Headline :
সাংবাদিককে হত্যা হুমকির ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার সাঘাটায় করতোয়া প্রতিনিধি জয়নুল আবেদীনকে সম্প্রতি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ্র বিরুদ্ধে তদন্ত করতে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন— গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম ও পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. রাবেয়া বেগম। সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় ঐ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় একটি জেনারেল ডায়েরী (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকির একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হলে স্থানীয় সাংবাদিক মহল সহ বিভিন্ন সচেতন মহল বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। পরে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এ নিয়ে খবর প্রকাশ হলে প্রথমে জেলা ও পরে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিষয়টি নজরে আসে। এরই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তর। এমনটি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শ্রী লহ্মণ কুমার দাস। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহীন আলম’র বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ ও বিদ্যালয়ের অনুপস্থিতির অভিযোগ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বৈত ভর্তি সহ নানাবিধ অনিয়মের বিষয়ে তথ্যাদি সাংবাদিকের হাতে এলে দৈনিক করতোয়া সাংবাদিক জয়নুল আবেদন ঐসব অনিয়মের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে সাঘাটা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহেশ শাফীকে মুঠোফোনে খুদে বার্তায় আহ্বান জানান। বিষয়টি ঐ প্রধান শিক্ষক জানতে পারায় গত ২৭ এপ্রিল সোমবার বিকেলে ক্ষীপ্ত হয়ে সাংবাদিক জয়নুল আবেদীনকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।

বুড়িমারী স্থলবন্দরে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদারে ব্যবসায়ীদের ভূমিকাভ গুরুত্বপূর্ণ

Update : শনিবার, ২ মে, ২০২৬

আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, বন্ধুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার।
তিনি বলেন, “আমরা একে অপরের ভাইয়ের মতো। দুই দেশের মানুষ ও ব্যবসায়ীরা পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করলে শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নই নয়, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাও আরও সুদৃঢ় হবে।”

শনিবার দুপুরে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের সভাকক্ষে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, আমদানি-রপ্তানিকারক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইতোমধ্যে কার্যকর সংযোগ গড়ে উঠেছে এবং যৌথ উদ্যোগে নানা ক্ষেত্রে কাজ এগিয়ে চলছে। এতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হচ্ছে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ সক্ষমতা অনুযায়ী অবদান রাখছেন, যা একটি ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত বহন করে। এই অগ্রগতিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষও সন্তুষ্ট বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিভিন্ন প্রস্তাব প্রসঙ্গে সহকারী হাইকমিশনার বলেন, “আপনাদের দেওয়া প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।”

বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক বন্ধনের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, “দুই দেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। এই অভিন্ন ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করা এবং মানুষের মধ্যে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা সময়ের দাবি।”

ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিষয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তি আগের তুলনায় সহজ করা হয়েছে এবং বিশেষ সুবিধাও রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নিয়মিত ভিসা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রেও ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার উদ্যোগ চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

সভায় ব্যবসায়ীরা বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে কিছু পণ্যের ওপর আরোপিত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের দাবি জানান। এ বিষয়ে সহকারী হাইকমিশনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের উপকমিশনার (ডিসি) মহী উদ্দিন, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক এএসএম নিয়াজ নাহিদ, আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা সালাউজ্জামান ওপেল ও সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান রাজু, লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক হুমায়ুন কবির সওদাগর এবং বুড়িমারী পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা।

সভা শেষে তিনি স্থলবন্দরের শূন্যরেখা পরিদর্শন করেন। এ সময় ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা শুল্ক স্টেশনের ব্যবসায়ী, কাস্টমস ও বিএসএফ কর্মকর্তারাগ তাহকে স্বাগত জানান। বিকেলে তিনি পাটগ্রাম উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাটেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেন এবং পরে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন।


More News Of This Category

সাংবাদিককে হত্যা হুমকির ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার সাঘাটায় করতোয়া প্রতিনিধি জয়নুল আবেদীনকে সম্প্রতি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ্র বিরুদ্ধে তদন্ত করতে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন— গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম ও পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. রাবেয়া বেগম। সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় ঐ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় একটি জেনারেল ডায়েরী (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকির একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হলে স্থানীয় সাংবাদিক মহল সহ বিভিন্ন সচেতন মহল বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। পরে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এ নিয়ে খবর প্রকাশ হলে প্রথমে জেলা ও পরে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিষয়টি নজরে আসে। এরই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তর। এমনটি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শ্রী লহ্মণ কুমার দাস। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহীন আলম’র বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ ও বিদ্যালয়ের অনুপস্থিতির অভিযোগ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বৈত ভর্তি সহ নানাবিধ অনিয়মের বিষয়ে তথ্যাদি সাংবাদিকের হাতে এলে দৈনিক করতোয়া সাংবাদিক জয়নুল আবেদন ঐসব অনিয়মের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে সাঘাটা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহেশ শাফীকে মুঠোফোনে খুদে বার্তায় আহ্বান জানান। বিষয়টি ঐ প্রধান শিক্ষক জানতে পারায় গত ২৭ এপ্রিল সোমবার বিকেলে ক্ষীপ্ত হয়ে সাংবাদিক জয়নুল আবেদীনকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।