বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline :
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত শাহরাস্তি থানা পুলিশ কর্তৃক সিআর পরোয়ানাভু্ক্ত ০১ জন আসামী গ্রেফতার। শিরোনাম:* লিজা আক্তারের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত গজীপুর জেলার কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ফ্যান উপহার গাইবান্ধায় জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত রংপুরে ১৭ তরুণীর হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ হস্তান্তর: চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১২ নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়ন কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ দেবিদ্বার উপজেলার ৭ নং এলাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মামুনুর রশিদ খান

‘আয়নাঘরের আলামত ধ্বংসের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি’

Update : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

ঢাকা প্রতিনিধি আরমান খান অপু : কথিত ‘আয়নাঘর’ ও টিএফআই সেলের আলামত ধ্বংস, নির্যাতনের সরঞ্জাম অপসারণ এবং ঘটনাস্থলের চিহ্ন মুছে ফেলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার।

তিনি এক বিবৃতিতে দাবি করেন, টিএফআই সেলের ভেতরে ব্যবহৃত নির্যাতনের বিভিন্ন সরঞ্জাম, লোহার কাঠামো, অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত কেটে টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব আলামতের একটি অংশ র‍্যাব সদর দপ্তরের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি লেকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা একজন সাক্ষীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই লেকে ডুবুরি নামিয়ে কিছু আলামত উদ্ধার করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কথিত ‘আয়নাঘরের’ গোপন কক্ষগুলো আড়াল করতে দেয়াল তুলে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সেলের লোহার গ্রিল ও স্টিলের দরজা কেটে সরিয়ে ফেলা এবং বিভিন্ন কক্ষে পরিত্যক্ত আসবাবপত্র ও আবর্জনা রেখে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে গোপন দরজা ভেঙে কথিত সেলগুলো শনাক্ত করে এবং সেই সময়ের বিভিন্ন ভিডিওচিত্রও প্রকাশিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার বলেন, “যদি সত্যিই নির্যাতন, গুম, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আলামত নষ্টের মতো ঘটনা ঘটে থাকে, তবে সেসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।”
তিনি আরও বলেন, “সত্য উদ্ঘাটন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে একটি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য বিচারিক প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি অভিযোগ করেন, অন্যায়, জুলুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাকে আড়াল করার যে কোনো প্রচেষ্টা ইতিহাসের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাই এসব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।


More News Of This Category