,,?? ————————————রুনু হাসানঃকাল ১২ ফেব্রুয়ারি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে কথিত এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। জাতির ভাগ্য নির্ধারণ কি মার্কিন মুল্লুকের দিকে যাচ্ছে নাকি সেই পাকিস্তান!এই প্রশ্ন এখন বাংলাদেশের কোটি কোটি বিবেকবান ও প্রগতিশীল চিন্তার মানুষদের। কারন পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়,যে কোন জাতি তাদের সমাজ দেশ জাতিকে স্বাধীন জাতি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বা বিভিন্ন কারনে ব্যার্থ হয়েছে। এর একমাত্র কারণ হিসাবে দেখা গেছে সঠিক নেতৃর্ত্বের বা নেতার জন্ম না হওয়ায় অতিতে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় এবং বর্তমানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও ফিলিস্তিন এর গাজা উপত্যকার জনগোষ্ঠী সঠিক নেতা বা নের্তৃত্ব না থাকাটা একমাএ উৎকৃষ্ঠ উদাহরন।। সেই দিক দিয়ে আমরা বাংলাদেশীরা সৌভাগ্যবান জাতি। আমাদের স্বাধীন সার্বভৌমত্বের বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান বহু ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে আমাদেরকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ দিয়ে গেছেন। অপর দিকে আমরা চরম দূর্ভাগা জাতি! কারন আমরা আমাদের বিপথের স্বাধীনতা বিরোধী ক্রিয়া চক্র কর্তৃক ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে এই বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। পাকিস্তানি শোষক গোষ্ঠীর সেই জঙ্গিরা ৫৪ বছরের ব্যবধানে পূনরায় সেই বঙ্গবন্ধুর তনয়া গনতন্ত্রের মানষ কণ্যা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট ৭৫ এর ন্যায় পূনরাবিওি ঘটাতে চেয়ে ছিলো। এভাবে ২১ বার শেখহাসিনাকে বিয়োগান্ত অধ্যায় ফেলতে গিয়েও তারা বারংবার ব্যার্থ হয়েছে, মহান রাব্বুল আলামিনের কৃপায়।। এর পর আন্তর্জাতিক মাফিয়া চক্রের ক্লিং এজেন্ট ডঃ ইউনুস গং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা অবৈধভাবে দখল করে রেখে ১২ ফেব্রুয়ারির সাজানো, পাতানো নির্বাচন এর মাধ্যমে মূলতঃ ১৯৭১ এর স্বাধীনতা বিরোধী জামাত রাজাকার আলবদরও জঙ্গি গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদের শেষ ইচ্ছে পূরনের দিন এটি। প্রমান হিসাবে জামায়াত ইসলাম এর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান এই পাতানো নির্বাচনের সভায় বার বার বলছে সময় নাই, বেলা শেষ, ক্ষমতায় আমাদেরকে যেতেই হবে। তয় ঈশারা ইঙ্গিতে বাস্তব সম্মত প্রমানতো প্রকাশ হলো। কেননা ডঃ ইউনুস, সেনাপ্রধান ওয়াকারুজ্জামান, জামায়াত বি,এন,পি এরা সবাই বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার তিলে তিলে তৈরি করা দেশটিকে শুধু ভোগ করতে চায়। এটাই এই গোষ্ঠীর মূল থিম। তাই বিগত ১৮ মাসে কিংস পার্টি গঠন,পাতানো নির্বাচন,আই ওয়াস। এগুলো হলো বিদেশি অপশক্তি ডিপ ষ্টেটের মাধ্যমে নিজেদের আখের গোঁছানো ছাড়া অন্য কিছুই না। অপর দিকে এই অপশক্তির কারনে ১৮ কোটি মানুষ বলির পাঠা হচ্ছে যুগের পর যুগ। কারন মেজর জিয়া এই রকম ভাবে হাঁ,না ভোট এর মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে বি,এন,পি নামক যেই রাজনৈতিক দল গঠন করে গেছে। এই দল আর জামায়াতে ইসলামী এরা একে অপরের পরিপূরক,এবং একে অপরের ক্ষমতার অংশিদার। ঠিক স্বাধীন সার্বভৌমত্বের ধ্বংসের বেলায় ও তারা এক ও অভিন্ন।।অপর দিকে ১৯৭১ এ, বাংলা দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে পাকিস্তান এর পক্ষে মার্কিন ডিপ ষ্টেটের সরাসরি সমর্থন। অস্র ঘোলা বারুদ ও যুদ্ধ জাহাজ দিয়ে মার্কিন সমর্থন এর অংশীদার সেই পাকিস্তান। পূনরাবিওি ৫৪ বছর পর ডিপ ষ্টেটের ইতোপূর্বের মালিক মার্কিন ফরমার প্রেসিডেন্ট জো-বাইডেন এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্রী ও নির্বাচিত না হওয়া প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ডঃ ইউনুস এর মার্কিন গ্রামীন ব্যাংক কনসেপ্ট এর পার্টনার। ওই সুবাধে মার্কিনীদের অর্ধ শতাব্দীর আকাংকিত বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন,, বঙ্গোপসাগরে ব্লু ইকোনমির খনিজ সম্পদ সহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই ভূ-খণ্ডে তাদের ঘাঁটি গাড়ানোর ক্লিং এজেন্ট পেয়ে যায় এই ডঃ ইউনুসকে। সাথে ১৯৭১ এর একমাএ মিএ পাকিস্তান। এই মূল বিষয়টিই হলো বাংলাদেশের তথাকথিত নামধারী জুলাই যোদ্ধাদের ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলন, ৫ আগষ্ট গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করন,দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে দেশ ত্যাগ করানো।। এই সকল কিছুই সেই পাকিস্তান ও মার্কিন মুল্লুকের ১৯৭১ এর সরাসরি বিরোধিতা ও বর্তমান ডিপ ষ্টেটের ম্যাটিকূলাস ডিজাইনের অংশ। ওই অংশের সেই বানরের পিঠা ভাগ এর পাতানো নির্বাচনটিই হলো আগামী কালকের বাংলাদেশের এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাতানো খেলার নাটক। এই নাটক মঞ্চায়ন শেষে বাংলাদেশ পঞ্চাশ বছর পিছিয়ে গেলেও দীর্ঘ কালের ডিপষ্টেট ও ম্যাটিকূলাস ডিজাইনারদের কিছুই যায় আসেনা! শুধু তাদের সংশ্লিষ্ট সকলের আখের গোঁছানোর লাভটা তারা নিতে চায়। তাই নির্বাচন পরবর্তী স্বাধীন সার্বভৌমত্বের বাংলাদেশ এর ভাগ্য নির্ধারণ পাকিস্তানের দিকে নাকি মার্কিন মুল্লুকের দিকে এই নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক গুণজ্ঞন দোলা চালে দানা বাঁধছে,,,,,,,,,।