বিদ্যুৎ চন্দ্র বর্মন, নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংগঠনের পক্ষে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেছেন, রেমিটেন্স যোদ্ধারা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলেও তারা প্রতিনিয়ত প্রতারণা, দালালচক্র ও সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের শিকার হচ্ছেন। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সরকারকে অবশ্যই দায়িত্ব নিতে হবে এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় রেমিটেন্স যোদ্ধাদের অধিকার আদায়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, “একজন প্রবাসী যখন ছয় লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে যান, তখন সেই অর্থ দিয়ে দেশে কাঁচামালের ব্যবসা করলে হয়তো ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়া যেত। কিন্তু তখন রাষ্ট্র বৈদেশিক মুদ্রা থেকে বঞ্চিত হতো। দেশ ও দশের বৃহত্তর স্বার্থে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রবাসে গিয়ে কাজ করছেন। অথচ দেশে ফেরার পর কিংবা বিদেশে অবস্থানকালে প্রতারণা, হয়রানি ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন—এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা আরও বলেন, রেমিটেন্স যোদ্ধাদের জন্য একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও বান্ধব পরিবেশ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। দালালচক্র ও প্রতারক সিন্ডিকেট নির্মূলে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং প্রবাসীদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা না হলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়বে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন,
“আমরা দেশবন্ধু, আমরা দেশপ্রেমিক, আমরা শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষ। কিন্তু আমরা একতাবদ্ধ—আর একতাবদ্ধ বলেই আমরা শক্তিশালী। আমরা বিশ্বাস করি— United we stand, divided we fall।”
তারা আরও বলেন, দেশ যেন স্বাভাবিকভাবে চলে, মানুষ যেন স্বাভাবিকভাবে জন্মগ্রহণ করে এবং স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করতে পারে—এই মানবিক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতেই তাদের সংগ্রাম। অন্যায়ের সঙ্গে কোনো আপোষ নয়। অন্যায়কারী নিপাত যাক, ন্যায় ও সত্য সদা জাগ্রত থাকুক—এটাই তাদের অঙ্গীকার।
এ সময় বক্তব্য রাখেন দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংগঠনের
কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক: অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
ইউরোপ মহাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক: জনাব ফারুক আহমেদ চৌধুরী
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব: এম এ রউফ
নেতৃবৃন্দ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানান—প্রবাসী ও রেমিটেন্স যোদ্ধাদের সুরক্ষা, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করতে অবিলম্বে বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।