ক্ষিরু নদী প্রথম নদী রক্ষায় জিয়াউর রহমান ভূমিকা পালন করেছিলেন, দ্বিতীয়বার শেখ হাসিনা নদীতে নব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন কিন্তু তা পুরুপুরি বাস্তবায়ন হয়নি।
সাতেংগা মৌজায় খিরু নদীতে চলছে নদীর মাটি ও জমি দখল।
দখলবাজদের পরিচয় :
১,আফরুজ্জামান সোহেল গং ( ভাইস চেয়ারম্যান )
যুবলীগ নেতা ভালুকা উপজেলা)
২,আফজাল হোসেন ( প্রফেসর সোনার বাংলা ডিগ্রী কলেজ), সাবেক সহ সভাপতি ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগ
৩,রানা পারভেজ রিপন (সাবেক গোলকিপার ও যুব দল নেতা)
মাটির ক্রেতা :
স্থানীয় বিএনপির নেতা বিএনপির সাবেক সেক্রেটার হামিদ কারীর ভাতিজা রিজভি আহমেদ লিয়াদ।
আইন ও বাস্তবতা:
উচ্চ আদালতে নদ-নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন নদী উদ্ধারে বারবার উচ্ছেদ অভিযান চালালেও অনেক ক্ষেত্রেই প্রভাবশালী দখলদাররা পুনরায় ফিরে আসে। পরিবেশ আইন অনুযায়ী নদীর সীমানার মধ্যে কোনো স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ বা বালি-মাটি উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত:
পরিবেশবাদীরা বলছেন, কেবল লোকদেখানো উচ্ছেদ দিয়ে নদী বাঁচানো সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন:
১. ডিজিটাল সার্ভের মাধ্যমে নদীর সঠিক সীমানা নির্ধারণ।
২. স্থায়ীভাবে সীমানা প্রাচীর বা বনায়ন তৈরি।
৩. মাটি খেকো ও দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
ভালুকার সচেতন সাধারণ মানুষ ভূমিধসূ মাটি খেকোদের কাছ থেকে মাতৃভূমি রক্ষায় প্রতিকার চায় আদৌ কি তা ফলপ্রসূ হবে,
উপজেলা প্রশাসন উপজেলা ভূমি অফিস
উপজেলা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ও সচেতন জনসাধারণ ও পরিবেশ বিদদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।