বগুড়া জেলা ছাত্র রাজনীতির একসময়ের তুখোড় ও জনপ্রিয় মুখ, সাবেক ছাত্রনেতা সারোয়ার হোসেন জুয়েল-এর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক নির্বাসন কাটিয়ে পুনরায় দলের মূলধারায় ফিরতে এবং দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে তিনি নিজেই এই অনুরোধ জানিয়েছেন।
সারোয়ার হোসেন জুয়েল তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বগুড়ার ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তৃণমূলের কর্মীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই নেতা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। তবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অভ্যন্তরীণ কিছু ভুল বোঝাবুঝি কারণে তাকে সহ আরো ৫ জন দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
দীর্ঘদিন দলের বাইরে থাকলেও নিজের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি বলে দাবি করেন জুয়েল। তিনি জানান আমি সব সময় দলের আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করেছি। মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়, যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে তবে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।তিনি বলেন একই অপরাধে আমি সহ আরো পাঁচজন বহিষ্কার হলেছিল এবং গতকাল তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় স্বপদে বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আমাকে কেন দেওয়া হবে না সে বিষয়ে আমার জানা নেই। তিনি জেলা নেতৃবৃন্দ ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তার বহিষ্কারাদেশ বাতিল করে পুনরায় স্বপদে বল রাখার জন্য। বর্তমানে দেশের এই বিশেষ পরিস্থিতিতে আমি পুনরায় আমার পুরনো ঠিকানায় ফিরতে চাই এবং দলের একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ করতে চাই।
জুয়েলের বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সাধারণ কর্মীদের মতে, বগুড়ায় দলকে শক্তিশালী করতে জুয়েলের মতো অভিজ্ঞ ও সাহসী নেতার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ত্যাগী নেতাদের বাইরে রেখে সংগঠনকে গতিশীল করা কঠিন বলে মনে করেন অনেকে।
সারোয়ার হোসেন জুয়েলের এই অনুরোধের পর এখন সবার নজর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় হাই-কমান্ডের দিকে। নেতাকর্মীরা আশা করছেন, দল বৃহত্তর স্বার্থে এবং ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ করে দেবে।