সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
Headline :
ঘাতক শাহীন সাত টুকরো করে পলিথিনে ভরে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে আসে ওবায়দুল্লাহর মৃতদেহ। সচল বিদ্যুৎ লাইনে ঝুঁকিপূর্ণ দুঃসাহসিক চুরি — গজারিয়ায় ৩৭ কেভিএ ট্রান্সফরমার উধাও। দুস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারে সেলাই মেশিন বিতরণ করল মদিনা ইসলামী মিশন। চট্টগ্রাম সমিতি সি‌লে‌টের উদ্যো‌গে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সৌহার্দ্যপূর্ণ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের আয়োজনে শিশু মেহমানদের নিয়ে ইফতার। গত ২৪ ঘণ্টায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল থেকে এখন পর্যন্ত, ইসরায়েল-আমেরিকান হামলায় ইরানের নিহত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আপডেটেড তালিকা। বগুড়া নন্দীগ্রামে ছাত্রদল সভাপতির ছুরিকাঘাতে কলেজ সভাপতি হাসপাতালে। ইসলামী বিশ্বের প্রখ্যাত বিপ্লবী নেতা ও ন্যায়ভিত্তিক সংগ্রামের প্রতীক মহামান্য আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী–এর শত্রু পক্ষের হামলায় শহিদ হওয়ায় গণঅধিকার পার্টি পিআরপি এর চেয়ারম্যান মহোদয়ের শোক বার্তা। বগুড়া শহরে খতিবকে ছুরিকাঘাতে হত্যা। ইসলামী বিশ্বের প্রখ্যাত বিপ্লবী নেতা ও ন্যায়ভিত্তিক সংগ্রামের প্রতীক মহামান্য আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী–এর শত্রু পক্ষের হামলায় শহিদ হওয়ায় গণঅধিকার পার্টি পিআরপি এর চেয়ারম্যান মহোদয়ের শোক বার্তা।

পুলিশ সদস্য হত্যা মামলায় জামায়াত-বিএনপির ৩৫৩ জন বেকসুর খালাস

Reporter Name / ২৮ Time View
Update : সোমবার, ২ জুন, ২০২৫
ঝিনাইদহের

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার পুলিশ কনস্টেবল জিএম ওমর ফারুক হত্যা মামলায় জামায়াত-বিএনপির ৩৫৩ জন আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মাহবুব আলম এই রায় প্রদান করেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী আন্দোলন করতে গেলে পুলিশ তাদের উপর নির্বিচারে গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এ সময় জনতার গণপিটুনিতে পুলিশ সদস্য জিএম ওমর ফারুক নিহত হন। ওই ঘটনায় ২০১৩ সালের ৩ মার্চ হরিনাকুন্ডু থানার এসআই হামিদুল ইসলাম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জামায়াত-বিএনপির ২২০ জনের নাম উল্লেখ করে চার থেকে পাঁচ হাজার অজ্ঞাত আসামির নামে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

মামলায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা মো: মোতাহার হোসেন, উপজেলা জামায়তের আমির মো: আলাউদ্দীন মণ্ডল, সেক্রেটারি মো: ইদ্রিস আলী, বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন, আজিজুর রহমানসহ শত শত নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারের পাশাপাশি চলে পুলিশের অর্থ বাণিজ্য।

২০১৪ সালের ২৫ মার্চ পুলিশ ৩৫৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। এ মামলায় সর্বমোট ৯৭ জনকে সাক্ষী হিসেবে দেখান হয়। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক সকল আসামিকে খালাস প্রদান করেন।

সরকার পক্ষে অতিরিক্ত পিপি আকিদুল ইসলাম ও আসামী পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুর রশীদ বিশ্বাস মামলাটি পরিচালনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category