১. চুপ থেকে কাজের মাধ্যমে নিজের উন্নতিটা দেখিয়ে দিন। নিজেকে বদলান- উন্নতি করুন, যেটা দেখে অন্যেরা দূর থেকে হা-হুতাশ করবে। আপনার ইতিবাচক পরিবর্তনই হোক আপনার প্রতিশোধ নেওয়ার উপায়!
২. আপনাকে যারা অতীতে অবহেলা/উপেক্ষা করেছে, সেটাই যেন কোনো এক সময় তাদের অনুশোচনার কারণ হয়। মানুষ তখনই চরম শিক্ষা পায়- যখন দেখে যাকে সে অবহেলা করেছে, সেই মানুষটা তাকে ছাড়াই আরো ভালো আছে!
৩. তর্ক-ঝগড়া এড়িয়ে সম্পূর্ণ নীরবতা পালন করুন।কেউ যদি আপনাকে কষ্ট দেয়, তাকে গুরুত্ব দেবেন না কিংবা ন্যূনতম প্রতিক্রিয়াও দেখাবেন না। উপেক্ষা হলো প্রতিশোধের সবচেয়ে মারাত্মক অস্ত্র!
৪. কেউ অবহেলা করলে আপনার নীরব প্রতিশোধ হলো তাকে আর আপনার আবেগের ওপর ভর করে বাঁচতে না দেওয়া। সেই সম্পর্ক, সেই মানুষ, সেই স্মৃতি থেকে নিজেকে মানসিকভাবে সরিয়ে নিন!
৫. নিজের জীবন এতো সুন্দর করে সাজিয়ে নিন যাতে অন্যেরা ফিরে তাকাতে বাধ্য হয়। আপনার হাসি, স্থিরতা, সুকর্ম, সফলতা ইত্যাদি তাদেরকে বুঝিয়ে দেবে- এই মানুষটাকে হারানো ছিল তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল!
৬. নিজের সম্মান আর সীমা পরিষ্কার করুন- আগে যেখানে “হ্যাঁ” বলতে বাধ্য হতেন, এখন সেখানে সবিনয়ে “না” বলে দিন। মানুষ তখনই কেঁপে ওঠে- যখন আপনি কারো উপেক্ষাকে সহজভাবে গ্রহণ করলেন!
৭. নিজের শান্তিটাকেই বিজয়ের উপলক্ষ বানিয়ে নিন। প্রতিশোধ নেওয়া মানে কাউকে কাঁদানো নয়, বরং নিজেকে এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া- যেখানে কেউ আপনাকে ছুঁতে না পারে!
৮. যা কিছু এক সময় কষ্ট দিয়েছে, সেটাকেই শক্তিতে পরিণত করুন। কষ্টকে শক্তিতে রূপান্তর করার মানুষকে কেউ কখনো থামাতে পারে না!
৯. কাউকে আঘাত করে প্রতিশোধ নিতে হয় না।সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ হলো, নিজেকে এমন জায়গায় দাঁড় করানো- যেখান থেকে কেউ খারাপ ব্যবহার, অবহেলা বা অবমূল্যায়নের জন্য নাগাল না পায়!
লেখাটি Nurul Islam ভাইয়ের পৃষ্ঠা থেকে সংগৃহীত এবং আংশিক পরিমার্জিত।