নিজস্ব প্রতিবেদক।
অতিদ্রুত ওসি ফিরোজ কে প্রত্যাহার করা হোক।।
চেপা বিক্রেতা থেকে কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া সামাল এর ইটভাটায় শ্রমিক পুড়িয়ে হত্যার সম্পূর্ণ রির্পোট::
ত্রিশাল আওয়ামী লীগ নেতা সামাল আকন্দ ইটের ভাটায় আগুনের চুল্লীতে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা::
ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলায় বালিপাড়া ইউনিয়ন (বৈন্নার পুল পারে ) এর অর্ন্তভুক্ত সামাল ব্রিকস ইটের ভাটায় এক শ্রমিককে ইটভাটায় আগুনের চুল্লীতে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই রহস্যময় মৃত্যু ধামাচাপা দেওয়া নিয়ে চলছে নানান কৌশল।
সামাল ব্রিকসের মালিক আওয়ামী লীগ নেতা সামাল আকন্দ সে বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ এর নাম্বার ওয়ান অর্থ যোগানদাতা হিসাবে বিশেষ ভূমিকায় থাকত।। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সামাল ছিল একজন চেপা শুটকি বিক্রেতা, তা থেকে শুরু করে সুদের ব্যবসা। এই গ্রামের মানুষের রক্তচোষা সুদের মাধ্যমে টাকাওয়ালা বনে যায়। তারপর শুরু করে ব্যবসা। বিগত আওয়ামী লীগ এর সময়ে গফরগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক কাসেম চেয়ারম্যান এর সকল অবৈধ টাকা ও সম্পত্তির রহ্মক হিসেবে কাজ করে আসছে যার টাকায় আরেকটি আটো ব্রিকস SKF। বিস্তারিত রির্পোট নিয়ে আসবো পরবর্তীতে।
তার কাছে এই হত্যার বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সাথে বৈরী আচরণ।
এই আওয়ামী লীগ নেতা নিজেকে অনেক শক্তি ধর হিসাবে নিজেকে অধিষ্ঠিত করতে নিজের ছেলে ফাহাদ আকন্দ নেতৃত্ব গড়ে তুলেছে এক ভয়াবহ মাদকাসক্ত কিশোর গ্যাং। যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদমাধ্যম গুলো সংবাদ করেছিল। সামালের ছোট ছেলে আহাদ সম্পূর্ণ রুপে ইয়াবা মাদকাসক্ত।
সামাল টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্যে সবোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ওসি ফিরোজ প্রসাসনিক সহায়তা করেছে।।এমনকি ওসি ফিরোজ ভিকটিম এর মৃতদেহ ত্রিশাল থানায় আনা হয় নাই সরাসরি ভিকটিম মেহেদীর গ্রামের বাড়ি যশোরের কেশবপুর এ পাঠিয়ে দেওয়া হয় এসআই পলাশ এর মাধ্যমে। মৃত মেহেদী ঠিকানা হল:- মেহেদী (২৩), পিতা- রজব আলী, সাং- ভান্ডারখোলা ( মশিউর মাস্টার বাড়ীর সাথে), থানা- কেশবপুর, জেলা- যশোর।
নিয়ম অনুযায়ী মেহেদীর মৃতদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল এ পোষ্টমার্টাম করে তারপর নিয়ম অনুযায়ী লাশ হস্তান্তর করার নিয়ম।। মিডিয়াকে এড়ানোর জন্য সরাসরি কোন পোষ্টমার্টাম ছাড়াই যশোর মৃতদেহ পাঠিয়ে দিয়েছে ওসি ফিরোজ।।
ত্রিশাল পুলিশ প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে এই বিষয়ে, জানাগেছে ত্রিশাল থানার ওসি ফিরোজ সামালের একান্তই নিজস্ব লোক হিসাবে সকল অন্যায় কাজে সহযোগিতা করে থাকে।। ত্রিশাল থানায় ৫অগাষ্ট এর পর থেকে এই ওসি সামালের সার্বিক অন্যায় কাজে সহযোগিতা করে আসছে।। এমনকি এই বিষয়ে ত্রিশাল সার্কেল এসপি এই বিষয়ে অবগত।
এই বিষয়ে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সামাল প্রকাশ্যে বলে বেরাই তার টাকার কাছে নাকি সবই মাথানত করে। ইটের ভাটায় আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করে টাকার বিনিময়ে ভিন্ন ভাবে অপমৃত্যু বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ত্রিশাল থানার ওসি ফিরোজ সামালের এই মার্ডার এর দায় -দায়িত্ব ভার নিয়েছেন ৬ লহ্ম টাকার বিনিময়ে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আরো জানা যায় সামাল বিএনপির স্থানীয় কিছু নেতৃবৃন্দ কে মেন্যেজ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে টাকার বিনিময়ে।।
সামালের দুই মাদকাসক্ত ছেলে এই হত্যার সাথে সম্পূর্ণ যোগসাজশ রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সামালের বড় ছেলে ফাহাদ কিশোর গ্যাং লিডার তার অনুসারীদের ফ্রী তে মাদকসেবন এর জন্য সকল সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে। ছোট ছেলে আহাদ সম্পূর্ণরুপে মাদকাসক্ত এবং ইয়াবা সেবনকারী যা প্রকাশ্যে সবাইর জানা ।।
ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার এবং ত্রিশাল সার্কেল এসপি কে এই বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আসামি কে সঠিক বিচার করা হোক এবং ওসি ফিরোজ এর বিষয় ডির্পামেন্টাল ব্যাবস্থা নেওয়া হোক।।
সকলের দাবি এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার হোক।।