বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও অস্থিরতার আশঙ্কা ঘনিয়ে আসছে। অতীতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা “ওয়ান ইলেভেন”—যা দেশকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছিল—তার পেছনের কারণ হিসেবে উঠে আসছে ক্রিমিনাল রাজনীতির গভীর শিকড়।
দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কর্মকাণ্ড দেশের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তাদের অপকৌশল ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে দেশে চরমপন্থা, সহিংসতা এবং সন্ত্রাসের বিস্তার ঘটে। একের পর এক বোমা হামলা ও সহিংস ঘটনায় সাধারণ মানুষের জীবন হয়ে ওঠে অনিরাপদ।
জনগণের আস্থা হারানোর ফলাফল
নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভাঙন
প্রশাসনের উপর জনগণের আস্থাহীনতা
সেনা-সমর্থিত শাসনের উদ্ভব
রাজনৈতিক ভারসাম্যের বিপর্যয়
এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটে এবং একটি বড় রাজনৈতিক দল চরম সংকটে পড়ে।
আইনের আড়ালে অপব্যবহার
বর্তমানে আবারও অভিযোগ উঠেছে—
মিথ্যা মামলা, আইনের অপপ্রয়োগ এবং প্রতিপক্ষকে কৌশলে দমন করার প্রবণতা বেড়েছে।
এতে জনমনে তৈরি হচ্ছে ক্ষোভ ও ঘৃণা
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পৌঁছাচ্ছে চরম পর্যায়ে
সতর্কবার্তা: ইতিহাস কি পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে?
বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন—
বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আবারও একটি “ওয়ান ইলেভেন”-এর মতো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
টাঙ্গাইলে নতুন করে শঙ্কা
টাঙ্গাইল জেলায় ইতিমধ্যেই পরিবারতন্ত্র ও ক্রিমিনাল রাজনীতির পুনরুত্থানের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ে এই প্রবণতা ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার
অপরাধভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করা
স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা
জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার
“দেরি মানেই বড় ক্ষতি—সময় এখনই সতর্ক হওয়ার”
মোঃ আকবর হোসেন
চেয়ারম্যান
নতুন বাংলা সাধারণ জনতার জোট