মৃত্যুর ১০ বছর পর অবশেষে আসামির মুখ দিয়েই বের হল তনুর উপর চালানো বর্বরতার স্বীকারোক্তি
খোকন মাহমুদ মানবাধিকার খবর ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রতিনিধি,,,
তনুকে ধর্ষণের পর প্রমাণ গোপন করতে নাকি মরিচের গুঁড়া ভিতরে প্রবেশ করানো হয়েছিল, যাতে ডিএনএ টেস্টে শুক্রাণু শনাক্ত না হয় এবং অপরাধীরা বেঁচে যায়।চিন্তা করুন, কী ভ'য়া'ব'হ কাণ্ড ।বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ ছাড়া কোন সুস্থ মানুষ কারো সাথে এমনটা করতে পারে না।
ময়নাতদন্তের পর তিন আসামীর শুক্রাণু পরীক্ষা করা হয় এবং প্রমাণ মেলে যে তিনজন মিলে
ধর্ষণ করেছে, যার মধ্যে একজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যও জড়িত। এরপর দীর্ঘ ১০ বছর তদন্ত চলতে থাকে
আবারও ময়নাতদন্ত করা হয়, কবর থেকে মরদেহ তুলে পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু ফলাফল দেওয়া হয় এরা দোষী নয়, বরং শুক্রাণু অন্য কারোর
অবশেষে ১০ বছর পর প্রথম পরীক্ষায় পাওয়া শুক্রাণুর ভিত্তিতে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হয় এবং রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, তারা তিনজন মিলে এই জঘন্য কাজ করেছে
যদি এরাই আসল অপরাধী হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানাই ন্যায়বিচারের মাধ্যমে আসল দোষীদের অতিদ্রুত শাস্তি দেওয়া হোক এবং মৃত্যুর ১০ বছর পর অবশেষে আসামির মুখ দিয়েই বের হল তনুর উপর চালানো বর্ব/রতার স্বীকারোক্তি
তনুকে ধর্ষণের পর প্রমাণ গোপন করতে নাকি মরিচের গুঁড়া ভিতরে প্রবেশ করানো হয়েছিল, যাতে ডিএনএ টেস্টে শুক্রাণু শনাক্ত না হয় এবং অপরাধীরা বেঁচে যায়।চিন্তা করুন কী ভয়াবহ কাণ্ড।বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ ছাড়া কোন সুস্থ মানুষ কারো সাথে এমনটা করতে পারে না।
ময়নাতদন্তের পর তিন আসামীর শুক্রাণু পরীক্ষা করা হয় এবং প্রমাণ মেলে যে তিনজন মিলে
ধর্ষণ করেছে, যার মধ্যে একজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যও জড়িত। এরপর দীর্ঘ ১০ বছর তদন্ত চলতে থাকে
আবারও ময়নাতদন্ত করা হয়, কবর থেকে মরদেহ তুলে পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু ফলাফল দেওয়া হয় এরা দোষী নয়, বরং শুক্রাণু অন্য কারোর
অবশেষে ১০ বছর পর প্রথম পরীক্ষায় পাওয়া শুক্রাণুর ভিত্তিতে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হয় এবং রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে তারা তিনজন মিলে এই জঘন্য কাজ করেছে।
যদি এরাই আসল অপরাধী হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানাই ন্যায়বিচারের মাধ্যমে আসল দোষীদের অতিদ্রুত শাস্তি দেওয়া হোক এবং নির্দোষীদের মুক্তি দেওয়া হোক। কারণ আমাদের দেশে অনেক সময় নিরপরাধ মানুষ হয়রানির শিকার হয়, আর অপরাধীরা ছাড় পেয়ে যায়
মুক্তি দেওয়া হোক। কারণ আমাদের দেশে অনেক সময় নিরপরাধ মানুষ হয়, রানির শিকার হয়, আর অপরাধীরা ছাড় পেয়ে যায়
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
(01884-553490, 01911-206989)
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.