বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
Headline :
সন্ত্রাসীদের হামলায় ২৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে না ফেরার দেশে আজিবর কালিয়াকৈরে সিএনজি স্টেশনে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ লাইন তীব্র গ্যাসের সংকটে চালকদের জনজীবন বিপর্যস্ত *সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন-নিপীড়ন- ‘বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম’-এর হুঁশিয়ারি* *আইন-প্রশাসন ও সরকারের প্রতি অনুরোধ, অন্যথায় রাজপথে কঠোর আন্দোলনের ডাক* Hacked by CoupDeGrace গফরগাঁওযের দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মনজুরুল ইসলাম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠান কালীগঞ্জে সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি কালীগঞ্জে জমকালো আয়োজনে সেন্ট মেরী’স গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন ভবনের উদ্বোধন । কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহযোগিতায় ফ্রি চোখের ছানি পরীক্ষা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভা

সাঘাটা হাসপাতালে জনবল সংকট, বাড়ছে দুর্ভোগ।

Update : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার একমাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালটিতে তীব্র জনবল সংকটে রোগী ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। প্রতিদিন আশপাশের এলাকা ও চরাঞ্চল থেকে গড়ে ৫ থেকে ৭ শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে আসলেও সেই তুলনায় নেই প্রয়োজনীয় জনবল। ফলে সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

আউটডোর ও ইনডোর মিলিয়ে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোগীর সঙ্গে স্বজনদের উপস্থিতিতে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার মানুষের ভিড় জমছে হাসপাতালে। অথচ এ বিশাল চাপের বিপরীতে জনবল রয়েছে হাতে গোনা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির মোট ৫১টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান সহকারী, একাউন্টেন্ট, স্যাকমো, স্বাস্থ্য সহকারী, কম্পিউটার অপারেটরসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদ রয়েছে। এছাড়া ওয়ার্ড বয়, আয়া, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট, ওটি অ্যাটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও নৈশপ্রহরীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদও শূন্য।

জনবল সংকটের কারণে হাসপাতালের পরিবেশেও দেখা দিচ্ছে অব্যবস্থাপনা। একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে পুরো হাসপাতাল পরিষ্কার রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক সময় নোংরা পরিবেশে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আব্দুল হালিম নামের এক রোগী বলেন, সকাল থেকে বসে আছি। লোকবল কম থাকায় সেবা নিতে দেরি হচ্ছে। আরেক রোগী রহিমা বেগম বলেন, ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছি, কিন্তু দেখভালের লোকবল কম। নিজের লোকজন নিয়েই সব করতে হচ্ছে।

এছাড়া হাসপাতালটিতে নৈশপ্রহরীর পদ শূন্য থাকায় নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, মাঝে মাঝে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালের আসবাবপত্র হারানোর ঘটনাও ঘটছে। এদিকে, ওষুধের বরাদ্দ কম থাকায় অনেক রোগীকেই বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাসপাতালটির আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার(আরএমও) মো. মেহেদী হাসান তন্ময় বলেন, জনবল সংকট থাকায় উন্নত সেবা দিতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইলতুতমিশ আকন্দ বলেন, অর্ধশত শূণ্য পদ থাকায় সেবা বিঘ্নিতের খবর পাচ্ছি। জনবল চাহিদা দপ্তরে প্রেরণ করেছি। তবে এ পদগুলো পূরণ হলে সেবার মান আরও উন্নত হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া না হলে সাঘাটা হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম আরও ব্যাহত হবে।


More News Of This Category