লালমনিরহাটে কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও মন্দির ও শ্মশানের জমি দখলের অভিযোগ।
লালমনিরহাট জেলা পতিনিধি
রওশন বাবু
০১৭২৫১৯২৪২৪
, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নে ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী কালী মন্দির, বৃদ্ধেশ্বরী মন্দির এবং নামুরী চন্দ্রপুর শ্মশানঘাটের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় সেবায়েত ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং যেকোনো সময় এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নামুরী চন্দ্রপুর-২০ নম্বর মৌজার বি.আর.এস. ৭৬ নম্বর দাগের অন্তর্ভুক্ত মোট জমি প্রায় ৬৬ শতক। এই জমির ওপরই শ্মশানঘাট ও দুটি মন্দির অবস্থিত। মন্দির প্রতিষ্ঠার সময় মূল প্রতিষ্ঠাতা ৩৭ শতক জমি মন্দিরের নামে আনুষ্ঠানিকভাবে দান করেন। অবশিষ্ট জমির একটি অংশ পরবর্তীতে বিক্রি হয় এবং হস্তান্তরের মাধ্যমে একাধিকবার হাতবদল হয়।
অভিযোগ উঠেছে, উক্ত জমির নতুন ক্রেতা পক্ষ সম্প্রতি মন্দির ও শ্মশানঘাটের একাংশ নিজেদের দাবি করে বেআইনিভাবে দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, আজ বহিরাগত ও বিভিন্ন এলাকার লোকজন এনে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করিয়ে জায়গা দখলের পাঁতারা চালানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, মন্দিরের পেছনের অংশে পর্যাপ্ত ফাঁকা জমি রয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত বিবাদ এড়াতে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে পেছন দিক থেকে ৫ শতক জায়গা ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জমি দাবিদার পক্ষ সেই প্রস্তাব তোয়াক্কা না করে, মন্দিরের এক পাশের দেয়াল ও স্থাপনা ভেঙে সংলগ্ন মূল্যবান জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং ঐতিহাসিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.