**"রংপুরের পীরগাছার আলোচিত পুত্র কর্তৃক নিজ পিতাকে হত্যা মামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সেই পুত্র গ্রেফতার।
আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২
28 September, 2026.
রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের দিকনির্দেশনায় পীরগাছা থানার এসআই মোঃ শাহিনুর ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম বুদ্ধিবৃত্তিক কৌশল প্রয়োগ করে পীরগাছা থানার মামলা নং ২৯ তারিখ, ২৬/০৯/২০২৬ খ্রি. জিআর নং ২২৬/২৬ ধারা, ৩০২ পেনাল কোড ১৮৬০ মূলে এজাহারনামীয় ১নং অভিযুক্ত মোঃ হাসানুর রহমান (২২), পিতা-মৃত মাহবুর রহমান @ মহুবর, মাতা-মোছাঃ হাছনা বেগম, সাং-উত্তর তাম্বুলপুর (মাষ্টারপাড়া), থানা-পীরগাছা, জেলা-রংপুরকে ২৭/০৯/২০২৬ খ্রি. ২১.৩০ ঘটিকায় গ্রেফতার করে।
উল্লেখ্য গ্রেপ্তারকৃত এজাহারনামীয় অভিযুক্ত মোঃ হাসানুর রহমান কর্তৃক হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তার নিজ পিতা মাহবুর রহমান মহুবর (৫৫)। হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর রংপুর জেলা পুলিশ এর একাধিক টিম মূল অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছিল। অবশেষে বুদ্ধিবৃত্তিক কৌশল প্রয়োগের ফলে অভিযুক্ত নিজেই আত্মগোপন থেকে বেরিয়ে আসে।
উল্লেখ্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনার আগে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত মোঃ হাসানুর রহমান তার মা হাসনা বেগম এর সাথে খারাপ আচরণ করে এবং অভিমান করে থাকে। রাগ ভাঙ্গানোর জন্য অভিযুক্তের শাশুড়ি মোছাঃ মর্জিনা বেগম (৪৫), স্বামী-মোঃ শরিফ উদ্দিন, সাং-লাটশালা, থানা-সুন্দরগঞ্জ, জেলা-গাইবান্ধা অভিযুক্তের বাড়িতে আসলে অভিযুক্তের মা কে সাথে নিয়ে অভিযুক্তকে ভাত খাওয়ার জন্য হাত ধরে জোরাজোরি করে। ঐ সময় অভিযুক্ত হাসানুর রাগান্নিত হয়ে তার মা হাসনা বেগমকে ধাক্কা দিয়া মাটিতে ফেলে দেয়। তখন অভিযুক্তের পিতা মাহবার রহমান মহুবার পাশে থাকা বাঁশের খড়ি দ্বারা অভিযুক্ত হাসানুরকে আঘাত করে। অতঃপর উপরোক্ত অভিযুক্ত হাসানুর ফল কাটা ধারালো চাকু এনে ২৫/০৯/২০২৬ তারিখ বিকাল ১৬.৩০ ঘটিকার সময় মাহবুর রহমানকে পিছন দিকে থেকে ডান কাধের উপরে চাকু দ্বারা স্বজোরে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত কাটা জখম করে। পরবর্তীতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রংপুরে চিকিৎসাধীন থাকাকালিন ২৫/০৯/২০২৬ তারিখ ২০.৩০ ঘটিকার সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক অভিযুক্তের পিতা মাহবুর রহমানকে মৃত ঘোষনা করেন। পরবর্তীতে হাসনা বেগম স্বামীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিজ পুত্র হাসানুরকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।
রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত আছে, ভিকটিমের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে।
উল্লেখ্য ধৃত অভিযুক্তকে মামলার ঘটনা সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে। মামলাটি তদন্তাধীন আছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে বিজ্ঞ আদালতে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.