
এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
বর্তমানে সাংবাদিক পরিচয় ধারী অনেকেই জার্নালিস্ট বানান করে বলতে পারবে না যে এমন অনেক! অথচ, ওই রকম সাংবাদিকের ছড়াছড়ি দেশের সর্বোত্র!!
বর্তমান সময়তে দেশের সর্বোত্র ওই রকম অবস্থা হলে ও এ প্রতিবেদনের আলোচ্য চট্টগ্রাম। এখানে হাজারো আছে আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে এবং হাতে মাইক্রো ফোন/ বুম নিয়ে ঘুরঘুর করা সাংবাদিক নামধারী ব্যাক্তি বিশেষ। শুধুমাত্র চট্টগ্রামেই নয় চট্টগ্রামের বাইরে বিভিন্ন উপজেলা গুলোতে ও রয়েছে ওই রকম। মীরসরাই-সীতাকুন্ড উপজেলায় অহরহ অনেকের চোখে পড়ে ওই রকম অনেক সাংবাদিক নামধারীদের।
কি করার আছে? নয়তো সাংবাদিক নের্তৃবৃন্দ সব জেনে এবং দেখে নিরব/চুপসে আছে কেনো? বলতে গেলে বলা চলে- এ প্রতিবেদক বিএনপি'র একমাত্র মুখোপত্র দৈনিক দিনকাল এর আইডি কার্ড সমেতো একটানা দীর্ঘ ২৩ বছর দায়িত্ব পালন করে আসছেন মীরসরাই-উত্তর চট্টগ্রামে। এ ছাড়া একটি টিভি (আইপি) চ্যানেল এ আইডি কার্ড ও বুম সহ আনুসাঙ্গিক জিনিস সমেতো দায়িত্ব পালন রত:। এর বাইরে আরো দু'টি দৈনিক পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধির দায়িত্ব ও অর্পিত রয়েছে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ থেকে। শুধু তাই নয় আরো একাধিক পত্রিকায় কাজ করার অফার ও অব্যাহত। এতোগুলো আইডি কার্ড এবং অফার সহ সব কিছু মিলিয়ে প্রাপ্ত জিনিসাধির জন্য এক টাকা দেননি তিনি। বরং সম্মানি ভাতা সহ নিউজ এর প্রেমেন্ট না করলে বাদ দিয়ে দেয়ার মানসিকতায় ও অটুট রয়েছেন তিনি।
কিন্তু, দুঃখ জনক হলে ও সত্য যে, দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো নামে বেনামে বের করা বিভিন্ন দৈনিক, সাপ্তাহিক পত্রিকা, আইপি টিভি চ্যানেল এবং অসংখ্য অনলাইন নিউজ পোর্টাল কর্তৃপক্ষ থেকে মাত্র ৫০০ -১০০০ টাকা দিয়ে আইডি কার্ড নিয়ে এবং কেউ কেউ নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে মাইক্রো ফোন/বুম কিনে নিয়ে গলায় আইডি কার্ড ঝুলিয়ে এবং হাতে মাইক্রো ফোন/বুম নিয়ে ইয়া বড়ো বড়ো সাংবাদিকের বুলি আউড়িয়ে চলছে। অথচ, তাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন সাংবাদিক কাকে বলে এবং সাংবাদিকের কাজ কি তার অর্থ ও জানে না! এমন কি জীবনে কোনো দিন নিজহাতে কোনো ঘটনা-দুর্ঘটনার নিউজ ও লিখেননি এবং পত্রিকায় ছাপা/প্রকাশ ও হয়নি!
তথাপি তিনি সাংবাদিক!! এর বাইরে বর্তমান সময়ের ফেইজবুক সাংবাদিক তো রয়েছেই। যাদের মধ্যে অনেকেরই লেখাতে থাকে অজস্র ভুল।
সুতরাং, একজন সাংবাদিক হয়ে সত্যিই লজ্জাবোধ করা ছাড়া আর কিছু-ই নেই।
বলার প্রাসঙ্গিকতার খেই হারিয়ে বলা-ই বাহুল্য যে, সত্য কথা বাঁকা ও ভালো।
দীর্ঘ ৩৩ বছর সাংবাদিকতা জীবনের একটানা ২৩ বছর বিএনপি'র একমাত্র পত্রিকা দৈনিক 'দিনকাল' কাটিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন এই প্রতিবেদক।
দৈনিক দিনকাল পত্রিকায় অনেক দিন কাজ করার পর ও কোনো দিন আইডি কার্ড চাওয়া হয়নি। তবে, অনেক দিন কাজ করার পর কাজের দক্ষতা অনুধাবন করে দিনকাল কর্তৃপক্ষ এ প্রতিবেদককে আইডি কার্ড প্রদান করেন।ত্যসময়ে দৈনিক দিনকাল পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ছিলেন এখনকার জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি'র চট্টগ্রাম ইনচার্জ সামশুল হক হায়দরী। আর দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সানা উল্লাহ্ নুরী। এবং তৎপরবর্তী ছিলেন কাজী সিরাজ। দু'জন-ই ছিলেন খুব ভালো মনের অধিকারী।
এ ছাড়া- মফস্বল সম্পাদক ছিলেন মুশাররফ করিম মঞ্জু। এবং তৎপরবর্তী উনার স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্বে আসেন আনোয়ারুল কবির বুলু। যিনি এখনো রয়েছেন ওই দায়িত্বে। বলতে গেলে উভয়-ই খুব ভালো/স্বচ্ছ মানসিকতার অধিকারী।
তো এমন একটি পত্রিকা (দৈনিক দিনকাল) তে কাজ করেছি তো করেই যাচ্ছি বিনিময়ে লোভ লালসা নিজের মধ্যে সংযত রেখে সাংবাদিকতার সু'মহান পেশাকে আগলে রেখেছি কালিমা লেপন ব্যাতিরেকে।
এমনটি করতে গিয়ে চরম অভাবগ্রস্ততায় হাবুডুবু খেলে ও স্বভাব নষ্ট হতে দেয়নি আজো তিনি। তার মতো এমন কয়জন সাংবাদিক ও বা রয়েছে বর্তমান সময়তে?
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহকারী সম্পাদক : মোঃ ছাব্বির হোসেন
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
নির্বাহী সম্পাদক : মেছবাহ উদ্দিন (01884-553490, 01911-206989)
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.