পলাশবাড়ীতে বিদ্যালয়ের বারান্দায় জাতীয় পতাকা ফেলে রাখার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের
পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা)। ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করে বিদ্যালয়ের বারান্দায় স্ট্যান্ডসহ অযত্নে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) স্থানীয়দের নজরে এলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের পাঠদান শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় পতাকা নামিয়ে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করে বিদ্যালয়ের বারান্দায় স্ট্যান্ডসহ রেখে বিদ্যালয়ে তালাবদ্ধ করে চলে যান। পরদিন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি এবং শনিবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় পতাকাটি একই অবস্থায় পড়ে ছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা সাংবাদিকদের অবহিত করেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকরা জাতীয় পতাকার অবস্থার ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জাতীয় পতাকা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মর্যাদার প্রতীক। জাতীয় পতাকা বিধিমালা অনুযায়ী পতাকার যথাযথ সংরক্ষণ ও সম্মান নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব। অথচ বিদ্যালয়ে পতাকাটি অযত্নে ফেলে রাখা হয়েছে, যা বিধিমালার পরিপন্থী বলে তারা দাবি করেন। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরজুমান আরা গুলেনুর বলেন, "আমি সমাজসেবা অফিসে একটি ভাইভা বোর্ডে আছি। প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ভাইভা শেষে বিষয়টি দেখছি।"
অন্যদিকে, বিষয়টি জানানো হলে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বুলবুল "Noted" বলে বিষয়টি আমলে নেন।
তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা : ফরহাদ মাজহার
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ আবুল হাসেম
সহ সম্পাদক : মোঃ গোলাম কিবরিয়া
01884-553490
Copyright © 2026 Dainik Banglar Sangbad. All rights reserved.